1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে সততার নজির, সম্মাননা পাচ্ছেন নৈশপ্রহরী বাচা দালান ভেঙ্গে চৌদ্দগ্রামে এক সাংবাদিক পরিবারের সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা! আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার এক নির্মম চিত্র ফটিকছড়িতে সম্পত্তি বিরোধ: ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, চিকিৎসক থেকে ওসি—প্রতারণার জালে বিস্ফোরক অভিযোগ নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

“কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা”

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩০ বার

এক কেজি আলু বিক্রয় করেও পাওয়া যায় না এক কাপ চা। চরম হতাশা আর বিশাল লোকসানের আতঙ্কে আলুচাষিরা। এক কাপ চায়ের মূল্য যেখানে ১০ টাকা সেখানে একজন চাষিকে কেজি প্রতি আলু বিক্রি করতে হচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকায়। কেজি প্রতি কমবেশি ১৬-১৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে কেজি প্রতি বিক্রয়মূল্য ৮-৯ টাকা। হতাশায় নিমজ্জিত আলুচাষিরা উৎপাদন খরচ উঠাতে না পারা আর লোকসানের বোঝা টানার শঙ্কায় হাঁপিয়ে উঠছেন।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা, কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছর পাঁচটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। এতে উৎপাদন হয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন আলু। কিন্তু তারাগঞ্জে তিনটি হিমাগারের মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১৬ হাজার টন। ফলে বাকি ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৫ টন আলু কৃষকেরা বাড়িঘর, উঠান ও অস্থায়ী গুদামে সংরক্ষণ করেন। পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক আলু পচে যায়। এতে অনেকে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। হিমাগারে রাখা আলুর ভাড়াও অনেকের পক্ষে তোলা সম্ভব হয়নি।

গত বছরের তুলনায় এ বছর আলুর আবাদ কিছুটা কমে ৩ হাজার ৪৬৩ হেক্টরে হয়েছে। তবে মৌসুমের শুরুতেই বাজারদর উৎপাদন খরচের নিচে নেমে যাওয়ায় চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে গড়ে ১৬ থেকে ১৭ টাকা খরচ হলেও বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকা।

দেশে বহুল প্রত্যাশার, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত। এই সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রচারণার বিশাল অংশ জুড়ে ছিল “কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা”। যথাশীঘ্র সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দেখতে চায় কৃষকরা। মুখের কথা, প্রচার-প্রচারণা আর বাস্তবতার আকাশসম ব্যবধান কৃষিখাতকে বিপর্যস্ত করবে, ঋণগ্রস্থ-নিঃস্ব হয়ে পড়বে কৃষকরা।

ন্যায্য মূল্যে সার-বীজ-কীটনাশক সরবরাহের পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ, ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়, সরকারী ক্রয় কার্যক্রম চালু, মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম বন্ধ, বাজার মনিটরিং এবং সংকট নিরসনে সরকারকে অতিজরুরী ও তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

কৃষি অর্থনীতি নির্ভর এদেশে কৃষক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ। তাই কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে সরকার ঘোষিত অঙ্গিকার বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।  এম জি শাহ আলম, লেখক/কবি/সাংবাদিক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews