1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্যে পণ্যের দাম দ্বিগুণ! ১০ দিন পরও উদ্ধার হয়নি চৌদ্দগ্রামের ইউছুপ আলী– সন্ধানদাতাকে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা ঘোলপাশা ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহনের মনোভাব প্রকাশ করেছেন ওমর ফারুক মিরপুর মিল্লাত ক্যাম্পের এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার! একটি পরিবারের লোভে ১৭ বছর বাংলাদেশ মানুষ জুলুম-নির্যাতনের মধ্যে বেঁচে ছিলো– রাশেদা বেগম হীরা এমপি ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যুবলীগ নেত্রীসহ দুজন আটক, আদালতে প্রেরণ ভাইরাল ভিডিও বিতর্কে নতুন মোড়, ‘নীলার বাড়ি’ নিয়ে যা উঠে এলো চৌদ্দগ্রামের মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী বিশিষ্ট ব্যক্তি আবুল বশার বচন গুরুতর আহত প্রশংসায় ভাসছেন পল্লবী থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির

“কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা”

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৬ বার

এক কেজি আলু বিক্রয় করেও পাওয়া যায় না এক কাপ চা। চরম হতাশা আর বিশাল লোকসানের আতঙ্কে আলুচাষিরা। এক কাপ চায়ের মূল্য যেখানে ১০ টাকা সেখানে একজন চাষিকে কেজি প্রতি আলু বিক্রি করতে হচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকায়। কেজি প্রতি কমবেশি ১৬-১৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে কেজি প্রতি বিক্রয়মূল্য ৮-৯ টাকা। হতাশায় নিমজ্জিত আলুচাষিরা উৎপাদন খরচ উঠাতে না পারা আর লোকসানের বোঝা টানার শঙ্কায় হাঁপিয়ে উঠছেন।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা, কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছর পাঁচটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। এতে উৎপাদন হয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন আলু। কিন্তু তারাগঞ্জে তিনটি হিমাগারের মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১৬ হাজার টন। ফলে বাকি ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৫ টন আলু কৃষকেরা বাড়িঘর, উঠান ও অস্থায়ী গুদামে সংরক্ষণ করেন। পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক আলু পচে যায়। এতে অনেকে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। হিমাগারে রাখা আলুর ভাড়াও অনেকের পক্ষে তোলা সম্ভব হয়নি।

গত বছরের তুলনায় এ বছর আলুর আবাদ কিছুটা কমে ৩ হাজার ৪৬৩ হেক্টরে হয়েছে। তবে মৌসুমের শুরুতেই বাজারদর উৎপাদন খরচের নিচে নেমে যাওয়ায় চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে গড়ে ১৬ থেকে ১৭ টাকা খরচ হলেও বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকা।

দেশে বহুল প্রত্যাশার, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত। এই সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রচারণার বিশাল অংশ জুড়ে ছিল “কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা”। যথাশীঘ্র সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দেখতে চায় কৃষকরা। মুখের কথা, প্রচার-প্রচারণা আর বাস্তবতার আকাশসম ব্যবধান কৃষিখাতকে বিপর্যস্ত করবে, ঋণগ্রস্থ-নিঃস্ব হয়ে পড়বে কৃষকরা।

ন্যায্য মূল্যে সার-বীজ-কীটনাশক সরবরাহের পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ, ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়, সরকারী ক্রয় কার্যক্রম চালু, মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম বন্ধ, বাজার মনিটরিং এবং সংকট নিরসনে সরকারকে অতিজরুরী ও তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

কৃষি অর্থনীতি নির্ভর এদেশে কৃষক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ। তাই কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে সরকার ঘোষিত অঙ্গিকার বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।  এম জি শাহ আলম, লেখক/কবি/সাংবাদিক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews