মীর হোসেন মোল্লাঃ বাজারে পণ্যের সংকট না থাকলেও মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি দাম। সিপিডির গবেষণায় উঠে এসেছে, চালের দাম উৎপাদক থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।
কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির মতো অদৃশ্য খরচের কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমাজের সব শ্রেণির ওপর। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে গবেষণা সংস্থা সিপিডির এক সংলাপে এ মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বাজারে সংকট না থাকলেও, বেশিরভাগ ভোগ্যপণ্যের দাম চড়া। চোখে পড়ে না সরকারি সংস্থার তদারকিও। যার সুযোগ নেয় মধ্যসত্বভোগীরা। দাম বৃদ্ধির কারণ নিজেদের গবেষণায় তুলে ধরে সিপিডি। চাল, আলু, পেঁয়াজসহ ১০ নিত্যপণ্য নিয়ে ৮১০টি বাজার ঘুরে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয় গবেষণায়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন জানান, চালের গড় দাম ৫ হাত ঘুরে প্রায় দ্বিগুন বাড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৮ টাকা মুনাফা করে মিল মালিকরা। ডাল, কাঁচামরিচে বেশি মুনাফা করে শহরের আড়তদাররা। বেগুন-আলুর ক্ষেত্রে কারসাজি করে খুচরা বিক্রেতারা।
Leave a Reply