1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করাই আমার লক্ষ্য চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাস থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও ৬০ বোতল মদ উদ্ধার চৌদ্দগ্রামের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ অনুমোদনের জন্য ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামরুল হুদা ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালিকে দেশে ফেরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কামরুল হুদার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন মজিবুর রহমান চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ দুই কিশোরী ৬দিন পর কক্সবাজার থেকে উদ্ধার* বনফুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে আগুনে পুড়ে ৬০ থেকে৭০ লাখ টাকার ক্ষতি চৌদ্দগ্রামের নারীকে মারধরের পর হত্যার চেষ্টা: ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা পরিকল্পিত সন্ত্রাস- নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে চৌদ্দগ্রামের বিএনপির মিছিল চৌদ্দগ্রামে আরাফাত রহমান কোকো গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাদক মামলার পলাতক আসামী কুমিল্লা ডিবি পুলিশের গাড়ী চালক ইমনের খুঁটির জোর কোথায়!

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

মিলন মল্লিক: গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কোনো গাড়ির চালক বা সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু কুমিল্লার ডিবি পুলিশের ২ নাম্বার টিমের একজন গাড়ী চালক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার পরও এখনো রয়ে গেছে অধরা। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ইমন হোসেন (৩০) নামক এই ব্যক্তি কখনো গাড়ী চালক আবার কখনো ডিবি পুলিশের সোর্স এবং কখনো মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অপরাধ জগতে ত্রাসের রাজ্বত্ব কায়েম করে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের উজিপুর ইউনিয়নের সমাশপুর গ্রামের সফিকুর রহমানের ছেলে ইমন হোসেন অপরাধ জগতে রামরাজত্ব কায়েম করে রেখেছেন। চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীর সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছেন। ডিবি পুলিশের নামে চাঁদা, ইয়াবার ব্যবসা, নিরপরাধ মানুষকে বিভিন্ন মামলায় পলাতক আসামী করানোই হলো ইমনের কাজ। এসব কাজের খাতিরে মাঝে মধ্যে ইমন ডিবি পুলিশের গাড়ী চালিয়ে আসছে বলে সূত্র জানিয়েছেন।
জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ীদেরকে মাদকদ্রব্যের চালান নিরাপদে পৌছে দেয়া সহ মানুষকে ডিবি পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়া এবং মিথ্যা মামলায় আসামী করে হয়রানীর খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ডিবি পুলিশের অফিসারদেরকেও মৌখিকভাবে ইমন হোসেনের অপরাধ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে অবগত করে আসলেও কোন কাজ হয়নি। গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় ইমন হোসেন সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি রুজু করা হয় (যাহার নং- ৬১)।
মামলার সূত্র জানায়, গত ২৯ জুন সোমবার রাত অনুমান ৩ টা ২০ মিনিটের সময় চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার কালিকাপুর ইউনিয়নের সাতঘরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের বাড়ির সামনে ফাঁকা রাস্তার উপর মাদক বেচাকেনা করছে বলে পুলিশ গোপনে সংবাদ পায়। তাৎক্ষণাৎ চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালীন সময়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন মাদক ব্যবসায়ী দৌঁড়ে পালানোর সময় ১০০ পিছ মাদক জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক হয়। আটককৃতরা হলেন কালিকাপুর ইউনিয়নের জামপুর গ্রামের মৃত রুক মিয়ার ছেলে আবুল খায়ের প্রকাশ বাদশা মিয়া (২৪), উজিরপুর ইউনিয়ন কালীকৃষ্ণনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাকিল (২৫) । আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে উদ্ধারকৃত মাদক জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো ডিবি পুলিশের গাড়ী চালক মাদক ব্যবসায়ী ইমন হোসেন(৩০) এর নিকট হতে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে, অধিক মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের দখলে ও হেফাজতে রেখেছে বলে তারা স্বীকার করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা পলাতক মাদক ব্যবসায়ী ইমন হোসেনের সহায়তা অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবার ট্যাবলেট সংগ্রহপূর্বক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের দখলে ও হেফাজতে রাখার অপরাধে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এঘটনা পর পলাতক আসামী ইমন হোসেনের দুই সহযোগিকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়ার অপরাধে, শুভপুর ইউনিয়ন হাজারী পাড়া গ্রামের এক ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরন দেয়ার জন্য ইমন হোসেন উচ্চবাক্যে কথা বলার একটি ভয়েজ রেকর্ড এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ইমন হোসেন একজন প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে খুব দাপটের সাথে কথা বলতে শুনা গেছে।পুলিশের হাতে আটক হওয়া ইমন হোসেনের ইয়াবা ট্যাবলেটের ক্ষতিপূরন এবং আটক হওয়া ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য ওই ব্যক্তিকে দাপটের সাথে আচরন করে। অন্যথায় এলাকায় কিভাবে থাকবে দেখে নেয়ার হুমকি ধমকি দেয়।

প্রশাসনের কাছে জনমনে প্রশ্ন: মাদক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও ইমনের মতো একজন ব্যক্তি কীভাবে এখনো ডিবি পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের গাড়ি চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের ওপর মহলে বিষয়টি একাধিকবার মৌখিকভাবে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ইমনের ‘খুঁটির জোর’ আসলে কোথায়? স্থানীয়রা অবিলম্বে ইমন হোসেনকে আইনের আওতায় এনে তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews