রিপোর্টার: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের বাসিন্দা আনিছুর রহমান মজুমদারের বাবা মো. অলিউল্লা মজুমদারের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে ঢাকা থেকে ছেলে আনিছুর রহমান বাড়ীতে আসার চেষ্টা করলে হুমকী -ধমকী দেয়ায় স্থানীয়রা। বাবার জানাজায় আসতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। যা হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রিয় সম্মানিত ,
৪ নং কালোচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন বাসি, আসসালামু আলাইকুম। সকলকে জানাই- ঈদ মোবারক। আমি এবং আমার ভাই আনিছুর রহমান মজুমদার দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন ভাবে আপনাদের সাথে জড়িত ছিলাম। সামাজিক, রাজনৈতিক ভাবে চলতে গিয়ে আমাদের মনের অজান্তে যদি কাউকে কোন কষ্ট দিয়ে থাকি, তাহলে আমি এবং আমার ভাই আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আপনারা অনেকেই আবগত আছেন যে গতকাল ঈদুল ফিতরের রাত ৯ ঘটিকায় আমাদের বাবা মোঃ অলিউল্লা মজুমদার ইন্তেকাল করেছেন-ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।বাবার মৃত্যুর সংবাদ শুনে, বাবাকে শেষ বারের মতো দেখবার এবং দাফন,কাফনের উদ্দেশ্যে আমরা ঢাকা থেকে বাড়িতে রওনা হই। মাঝ পথে যাওয়ার পর ফোনে জানতে পারলাম, গুটি কয়েক লোক আমার বাড়ির সামনে দাড়িয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে আমরা যাতে আমাদের বাবার জানাজা, দাফন, কাফনে অংশগ্রহণ না করি। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় আমরা কোন উপায় না পেয়ে মাঝপথ থেকে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আবার ঢাকায় ফিরে আসতে বাধ্য হই। শেষ পর্যন্ত আমরা আমাদের বাবার শেষ দেখাটা এবং শেষ বিদায় টা দিতে পারলাম না। যাদের কারণে আমরা আমাদের বাবার শেষ বিদায় টা দিতে পারলাম না আল্লাহ পাক তাদের কে হেদায়েত দান করুক।আর এই অন্যায়ের বিচার আমরা আমাদের প্রিয় ৪ নং কালোচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের কাছে দিয়ে রাখলাম। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকেও স্বজনদের জানাজায় প্যারোলে মুক্তি দিয়ে জানাজা, দাফনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় ।অথচ রামপুরে বাবার জানাজায়- সন্তানদের অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।ভালই হল,ভাল একটা উদাহরন হলো।আপনারা সকলে আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ পাক যেন আমার বাবাকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।
Leave a Reply