1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে খালি ঘর থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ধসে শিক্ষিকার মৃত্যু: এক মাস পর ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ​ চৌদ্দগ্রামে চরম ভোগান্তির নাম: চাঁপাচৌ-কালিয়াতল রাস্তা চালকবেশে ছিনতাই: কালীগঞ্জে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও আইফোন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দূরদর্শী একজন রাষ্ট্রপ্রধান

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৫৯ বার

মীর হোসেন মোল্লাঃ বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দূরদর্শী একজন রাষ্ট্রপ্রধান। যেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭১ পরবর্তী শাসকদের ব্যাপারে এই দায়মুক্তি কাজ করে যে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশে একজন রাষ্ট্রনায়কের কী করার আছে কিংবা ছিল- জিয়াউর রহমান সেটা করে দেখিয়েছেন যে আসলেই একজন রাষ্ট্রনায়ক কী করতে পারেন। বাকসর্বস্বতা আর বাকশাল এর মত ফ্যাসিস্ট সমাধান নয় বরং দেশের নাগরিকদের রাষ্ট্রের বেনিফিশিয়ারি হিসেবে সমান সুযোগ, ভোটের ব্যবস্থা, সকল শ্রেণীর প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাজ করে গেছেন।

৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর শাসক শ্রেণীর ক্রমাগত ব্যর্থতা বাংলাদেশকে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশ রাখেনি, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা, সাড়ে তিনবছরের বিভক্তির রাজনীতির যে চূড়ান্ত অরাজকতা, শাসক হিসেবে জিয়াউর রহমানকে আরও বিপদসংকুল একটা দেশের দায়িত্ব পান। মানে ৭২ এর বাংলাদেশের থেকে ৭৫ এর বাংলাদেশ ফেইল স্টেটের একদম খাদের কিনারে অবস্থান করছিল।
একটা রাজনৈতিক অস্থির সময়ে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার কমফোর্ট জোনের একজন সামরিক শাসক হিসেবে তাঁর পরবর্তী যে ‘ম্যাকায়ভেলিয়ান’ সামরিক শাসক যিনি কি না নয় বছর ক্ষমতা আঁকড়ে বসেছিলেন তার মতই করতে পারতেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন অন্য ধাতুতে গড়া মানুষ। তাই সমাজে গণতান্ত্রিক যে মূল্যবোধ, সমাজের বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে ক্ষমতা পোক্ত করার সহজ নেশায় সেই মূল্যবোধকে, সে বিরাজনীতিকরণের পথ তিনি নেননি- তিনি ভোট ব্যাংকের রাজনীতিতে যাননি।

রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমানের ‘কীইবা করার আছে’- এমন দায়মুক্তির সহজ পথ ছিল। তিনি চাইলেই বিদ্যমান গুণ্ডাতন্ত্রের একজন  সমন্বয়ক হিসেবেই সামরিক এবং বেসামরিক আমলাতন্ত্রকে, বিচার ব্যবস্থাকে একটা মেধাহীন, মেরুদণ্ডহীন ব্যবস্থা হিসেবে জারি রাখতে পারতেন। তাঁর সামরিক বাহিনীর যে প্রশিক্ষণ তাতে তাঁর জন্য কারণহীন আনুগত্যের একটা অভ্যাস থাকাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু একজন মহান গণিতজ্ঞ যেমন নিজের জন্য সমস্যা তৈরি করেন, একজন স্টেটসম্যানও তেমনটাই, নিজের চ্যালেঞ্জটাকে ছোট রাখেন না। জিয়াউর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন একটা রাষ্ট্রের যেটা বিশ্ব দরবারে কোন দয়ার তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত হবে না বরং পরিচিত হবে একটি আত্মমর্যাদামূলক রাষ্ট্র হিসেবে।

তিনি বহুদলীয় রাজনীতিকে উন্মুক্ত করে দেন। জিয়াউর রহমান বেসামরিক এবং সুশীল সমাজের রাষ্ট্রগঠনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। ইতিহাস সাক্ষী, যেই জিয়াউর রহমান সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে, একটা বিশৃঙ্খল, হতাশ, গুজবতাড়িত সশস্ত্র বাহিনীকে ‘আয়রন ফিস্ট’ গ্রিপে তাঁর ক্যারিশমা এবং সামরিক প্রজ্ঞায় পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীতে রূপান্তর করেছিলেন সেই একই জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে যেন রাজনীতির ক্যাওয়াসকে নিয়ন্ত্রণ করতে যাননি।

রাজনৈতিক বিরোধিতাকে তিনি মোকাবেলা করেছেন রাজনৈতিকভাবে। রাজনীতিসচেতন সমাজ ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কেবল কল্পনাই- এটা জিয়াউর রহমান অনুভব করতে পেরেছিলেন- তাঁর পূর্বের রাষ্ট্রপ্রধান যে গুণ্ডাতন্ত্রকে এন্ডোর্স করেছিলেন, তাঁর পরবর্তীতে যিনি মধ্যবিত্তকে এটা অনুভব করতে বাধ্য করেছিলেন যে রাজনীতি ‍‍`ভদ্রমানুষদের‍‍` কাজ নয়- এর মাঝে জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্যতিক্রম- একটা অংশগ্রহণমূলক দেশ ও সমাজ গঠনে জিয়াউর রহমান নির্ভর করেছিলেন এর জনগণের ভেতরকার শক্তিকে। জনশক্তি রপ্তানি, সরকারি ব্যয় এমন অংশগ্রহণমূলক করা যাতে রাষ্ট্রের জনগণ ফ্রি রাইডিং এর সুবিধা না নিয়ে বরং তাঁর পরিশ্রমের বিনিময়ে জীবন নির্বাহ করতে পারে।

বাংলাদেশের জনমানুষের এমন কর্মসূচির ইমপ্যাক্ট দুই রকমের এক, রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শ্রদ্ধার চোখে দেখছেন দুই রাষ্ট্রের জনগণ কারো করুণা ছাড়াই সৎ পথে ইনকাম করতে পারেন। আত্মনির্ভরশীল তারুণ্য সেইসময় এই প্রকল্পগুলোতে উচ্ছ্বাসের সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন, ফলে বেকার সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তরুণদের মধ্যে দেশগঠনের উদ্দীপনা সংক্রমিত হয়েছিল। বেড়েছিল মানুষের উৎপাদনশীলতা ও সৃষ্টিশীলতা।

জিয়াউর রহমান মধ্যবিত্তের এই প্রতারিতবোধ করার কারণ অনুভব করতে পেরেছিলেন তাঁর বেড়ে উঠার পরিপার্শ্বের কারণে, আবার জিয়াউর রহমান এটাও অনুভব করেছিলেন মধ্যবিত্তের এই প্রতারিতবোধ করা, এই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া জাতি  গঠনের জন্য কী মারাত্মক পরিণতি আনতে পারে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিয়াউর রহমান প্রথাগত রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি রাজনীতিতে মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণের রাস্তা সুগম করেন মূলত জনগণের মানসে পরিবর্তনের মাধ্যমে। একটা কর্মযজ্ঞ, উৎসবমুখর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মধ্যবিত্তের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে পেরেছিল। লেখকঃ মীর হোসেন মোল্লা/ সাংবাদিক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews