1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে সততার নজির, সম্মাননা পাচ্ছেন নৈশপ্রহরী বাচা দালান ভেঙ্গে চৌদ্দগ্রামে এক সাংবাদিক পরিবারের সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা! আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার এক নির্মম চিত্র ফটিকছড়িতে সম্পত্তি বিরোধ: ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, চিকিৎসক থেকে ওসি—প্রতারণার জালে বিস্ফোরক অভিযোগ নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ৭ বাংলাদেশী নাগরিককে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠালেন ভারত।

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪২ বার

জাকির হোসেন, বেনাপোল (শার্শা) প্রতিনিধি: ভারতে আটক হওয়ার পর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করার পর ২জন নারী ও ৫জন পুরুষ মোট ৭জন বাংলাদেশী নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গের হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ই, মার্চ-২০২৬) সন্ধ্যায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদেরকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাউন্সেলর কর্তৃক ২৩ ফেব্রুয়ারী ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং এফআরআরও কলকাতার ২ মার্চ ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিশ’-এর ভিত্তিতে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর আইসিপি দিয়ে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬জন এবং মহিলা আইনজীবী সমিতি একজনকে গ্রহণ করেছে।

এ বিষয়ে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার-যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, দালাল ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারকদের প্রলোভনে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিল বিদেশে যাওয়ার আশায়। পরে ভারতের কলকাতায় ঘোরাফেরার সময় পুলিশ তাদের আটক করে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দমদম জেলে পাঠানো হয়। দুই দেশের মানবাধিকার সংস্থার হস্তক্ষেপে ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই বছর সাজাভোগের পর তাদের কলকাতার একটি শেল্টার হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে দেশে ফেরার অনুমতি পেয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews