1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা! আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার এক নির্মম চিত্র ফটিকছড়িতে সম্পত্তি বিরোধ: ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, চিকিৎসক থেকে ওসি—প্রতারণার জালে বিস্ফোরক অভিযোগ নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ

একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ১ বার

মোঃ মীর হোসেন মোল্লা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন এবং বিশ্বস্ত আপনজন- চৌদ্দগ্রাম বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা। তিনি ইতিমধ্যে দলীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এবং অবহেলিত মানুষের কল্যানের জন্য বিভিন্ন সহায়তামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জোরালোভাবে পদক্ষেপ নিয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে জনগনকে দেয়া বিএনপির সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেও তিনি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। একই সাথে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ কামরুল হুদা চৌদ্দগ্রাম বিএনপিকে নতুন করে সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী করার জন্য- দলের অযোগ্য অসংখ্য নেতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি কতেক নেতাকে সঠিক পথে চলার দিক নির্দেশনা দিয়ে আসছেন বলে জানা গেছে। আবার দলীয় নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী অনেক নেতাকর্মীর প্রতি ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা গেছে।

জানা যায়, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য ইতিহাসে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বীরত্বের সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক বীরপুরুষ মোঃ কামরুল হুদা বীরত্ব ও দৃঢ় নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, রাজনৈতিক ইতিহাসে কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বের জায়গায় স্থান করে নিয়েছেন। রাজনীতির দূরদর্শী, সাহসী ও আত্মত্যাগী, ইতিহাসের সংকটময় মুহূর্তে নিজের জীবন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে, উপজেলার বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে জনগনের জন্য যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছেন- চৌদ্দগ্রামের রাজনীতির বীরপুরুষ মোঃ কামরুল হুদা।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে বীরপুরুষের ভূঁমিকা নিয়ে, জনগনের কাছে একজন গ্রহনযোগ্য দানবীরের পরিচয় অর্জন করে, জনপ্রিয়তার ভোট যুদ্ধে শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ে ভোটারদের মূল্যবান ভোটে জয়- পরাজয় নিশ্চিত করার প্রতিক্ষায়, তিনি দীর্ঘ দুই যুগ ধরে চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক মাঠ ধাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন। সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহনের পরিস্থিতি আজও সৃষ্টি হয়নি। ক্ষমতার লোভ সামলাতে না পেরে প্রতিপক্ষ জামায়াত ইসলামী এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি করে জনগনকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে, শান্ত পরিবেশকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে একাধিকবার কামরুল হুদার বিজয় চিনিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাধারন জনগনের অভিভাবক মোঃ কামরুল হুদা অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মোকাবেলা করতে আজও দেখা যায়নি। অত্যন্ত ভদ্র আচরন এবং বিনয়ী ব্যবহারের একজন রাজনীতিবীদ কখনোই কোন মায়ের বুক খালি করার জন্য চৌদ্দগ্রামে রাজনীতিতে আসেননি বলে তিনি সবসময় গর্ভের সাথে বলে আসছেন। কামরুল হুদা কখনোই কোন ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেননি। তিনি আজও যোগ্যতার লড়াইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য- যেকোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর সাথে নির্বাচনের ময়দানে প্রতিযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহল ধারনা করেছেন। গত প্রায় দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে সমাজ সেবার পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সুখে দুঃখে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে আজও বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী দল হিসেবে ধরে রেখেছেন। ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচন এবং ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহনের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত চৌদ্দগ্রামে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় কামরুল হুদার বিজয়ের আওয়াজ জনগনের মুখে মুখে মুখরিত হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবাদী এবং ২০২৬ সালে জঙ্গীবাদী বাহিনীর সদস্যরা দিশেহারা হয়ে কেন্দ্র দখল করে- একতরফা সীল মেরে কামরুল হুদার নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেয়। একের পর এক হোঁচট খেয়ে জনগনের ভালবাসার কাঁধে ভর করে তিনি বীরদর্পে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। ন্যায় অন্যায়ের শেষ চিত্রটা দেখার জন্য দিনের পর দিন ত্যাগ তিতিক্ষা অবসান ঘটিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছেন। চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে মোঃ কামরুল হুদা বীরপুরুষের ভঁমিকা নিয়ে আজও জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন। এটি চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে নজির বিহীন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বলে সকল শ্রেণীপেশার মানুষ মনে করেন। রাজনীতিতে প্রকৃত বীরত্ব কেবল যুদ্ধের ময়দানেই নয়, বরং কামরুল হুদার আদর্শিক লড়াই এবং মানুষের অধিকার আদায়ের অহিংস দীর্ঘ আন্দোলনেও অনেক বাস্তব প্রমাণ রেখে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানায়, সমাজসেবক, মানবতাবাদী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন ও দুর্নীতি প্রতিরোধকারী মন-মানসিকতা নিয়ে- গ্রুপিং জ্বরে আক্রান্ত তৎকালীন চৌদ্দগ্রাম বিএনপির হাল ধরেন শিল্পপতি মোঃ কামরুল হুদা। তিনি গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র এবং মানব কল্যাণকে পূঁজি করে, বীরদর্পে চষে বেড়াচ্ছেন রাজনৈতিক মাঠ। দুই যুগ ধরে কামরুল হুদা ব্যক্তিগত ইমেজকে কাজে লাগিয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপিকে চাঙ্গা করে তোলেন। সর্বদলীয় মানুষের আস্থাভাজন ব্যক্তিত্বে পরিনত হয়েছেন সমাজ সেবক মোঃ কামরুল হুদা।চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সকল শ্রেনীপেশার মানুষের সমর্থন আদায় করে, ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনের বাস্তব উদাহরন রেখে- ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শতভাগ বিজয় নিশ্চিত করার মত গনজোয়ার সৃষ্টি করেছেন। ১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন প্রতিপক্ষ জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর ডাঃ তাহের প্রশাসনকে অন্তরালে ম্যানেজ করে, দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করে, বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রে একতরফা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সীল মেরে- ভোট ডাকাতি মাধ্যমে কামরুল হুদার ধানের শীষ প্রতীকের নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে বলে সাধারন জনগন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
অপর দিকে, ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করলেও- তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মো. কামরুল হুদাকে বিজয় ঘোষনা করেনি। তিনি ওই নির্বাচনে তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপরীতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। কামরুল হুদার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুস ছোবহান ভূঁইয়া হাছান জনপ্রিয়তার শূন্যের কোঠায় থেকে নির্বাচনের দিন- অস্ত্রের মুখে জনপ্রিয় প্রার্থী মোঃ কামরুল হুদার বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগ সর্মথিত প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কোথাও ব্যালট পেপার ছিনতাই, কোথাও কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে এক তরফা সীল মারা সহ অনেক ভোটাররা বন্দুকের গুলির শব্দে ঘর থেকে সেদিন বের হতে সাহস করেনি। কিন্তু সেদিনও কামরুল হুদা তার সমর্থিত নেতাকর্মীদেরকে বেআইনি কাজে লিপ্ত না হয়ে- সাধারন মানুষকে সভ্যতার পরিচয় উপহার দেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান মোঃ কামরুল হুদা অন্যায়ভাবে ক্ষমতার যাওয়ার চিন্তা কখনোই করেননি। তিনি নিজেকে উদার মনের মানুষ হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে- ন্যায় নীতি ও জিয়াউর রহমানের আর্দশকে সম্মান দেখিয়ে, নিজের অর্থ ব্যয় করে সাধারন মানুষের সেবা করে আসছেন। পাশাপাশি চৌদ্দগ্রাম বিএনপিকে সুসংগঠিত করার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে আজকে তিনি সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি একটি সুসংগঠিত দল। এটি একজন কামরুল হুদার কঠোর পরিশ্রম এবং পরিমানের অধিক অর্থ ব্যয়ের বিশেষ অবদানের ফসল। যার বাস্তব প্রমাণ চৌদ্দগ্রামের জনগন। সবমিলিয়ে চৌদ্দগ্রামের রাজনীতির অঙ্গনে কামরুল হুদা এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বলে প্রবীন রাজনীতিবীদরা মনে করেন।
সূত্র আরো জানায়, জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনার ক্ষমতা এবং নিজের মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরার দক্ষতার ফলেই কামরুল হুদা জনগনের কাছে একজন আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে চৌদ্দগ্রামের কৃষক শ্রমিক ছাত্র জনতা মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews