1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে খালি ঘর থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ধসে শিক্ষিকার মৃত্যু: এক মাস পর ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ​ চৌদ্দগ্রামে চরম ভোগান্তির নাম: চাঁপাচৌ-কালিয়াতল রাস্তা চালকবেশে ছিনতাই: কালীগঞ্জে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও আইফোন

ইফতারের টেবিলে বাড়তি চাপ,ফটিকছড়িতে লেবু-শসা-কলার দামে ঊর্ধ্বগতি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৬ বার

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান মাসে ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ইফতারসামগ্রীর দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।গত বছর ফটিকছড়িতে রমজানে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার শুরুতেই দামের অস্বস্তিকর চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

২৪ ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলবার বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পিয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, ময়দানা (মিদানা), ছোলার ডাল (বুট), হালিম, জিলাপি, সমুচা, খেজুর, কলা, আপেল, কমলা, বরই, পেঁপে ও তরমুজসহ প্রায় সব ধরনের ইফতারসামগ্রী স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।বিশেষ করে লেবু, শসা ও কলার দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে লেবু প্রতি জোড়া বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৬০ টাকায়, যা রমজানের আগে ছিল ১০ থেকে ১৫ টাকা। শসা প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আগে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কলা ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকায়, যা আগে ছিল ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে।দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নিত্যদিনের বাজেটে টান পড়ছে। অনেকেই বলছেন, ইফতারের সাধারণ উপকরণ কিনতেই এখন বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে।

এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রমজান এলেই একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। ইফতারসামগ্রীর দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়। গতবার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এবার আবার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।” অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আড়ৎ থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়েই তাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। একাধিক আড়ৎদার জানান, রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি স্বাভাবিক। তাদের ভাষায়, “চাহিদা বাড়লে দাম বাড়বে এটাই বাজারের নিয়ম।”

তবে ক্রেতাদের দাবি, রমজানকে কেন্দ্র করে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। বাজারে কৃত্রিম সংকট বা সিন্ডিকেট থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। রমজান সামনে রেখে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি এমনটাই মনে করছেন ক্রেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews