1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে জামায়াত কর্মী জামাল হত্যাকাণ্ড আটক ৬, একনালা বন্দুক ও কার্তুজসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নবীনগরের এক যুবক নিহত সংকটাপন্ন ওবায়দুল কাদের চৌদ্দগ্রামে দাঁড়িপাল্লার চাইতে ধানের শীষের বেশি জনপ্রিয় বোচাগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে এনসিপির ২ নেতা আটক চৌদ্দগ্রামে ফেলনা নূরানী মাদরাসার নবনিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে ফুল দিয়ে বরণ নেশার ভয়াল ছোবলে আজ বিপর্যয় যুবসমাজ চৌদ্দগ্রাম ভাঙ্গাপুস্করণী মিয়া মিয়া স্পোটিং ক্লাবের মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পরীক্ষিত সৎ সাহসী যোগ্য প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করুন

বিএনপি’র ক্রয় করা বুলেট প্রুফ বাসও দেশে এসেছে

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য বিএনপি’র কেনা বুলেট প্রুফ বাসও দেশে এসেছে। বাসটি গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হয়েছে। এটি আজ-কালের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছাবে। এর আগে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন একটি ‘হার্ড জিপ’ গাড়ি দেশে পৌঁছে। টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো এলসি ২৫০ মডেলের এই গাড়িটি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নামে নিবন্ধিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে, বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দলটিকে দুটি বুলেট প্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি গাড়ির অনুমতি দেয়া হয়েছিল গত জুনে, আরেকটির অনুমতি দেয়া হয় অক্টোবর মাসে।

###
আপনার একটি ভোট বদলে দিতে পারে আপনার পরিবারের ভবিষ্যত
ভোট দিবেন ধানের শীষে
ফ্যামিলি কার্ড পাবে ঘরে ঘরে
####

####
মাদকের ভয়াল থাবায় গ্রাস যুব সমাজ

মাদকাসক্তি এক ভয়াবহ মরণব্যাধি। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যে সকল সমস্যা বিদ্যমান তার একটি অন্যতম সমস্যা হচ্ছে মাদকের ভয়াল থাবা। দিন দিন মাদকের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। নিষিদ্ধ জগতে অস্ত্রের পর মাদকই সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা। বর্তমানে দেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মাদকের কেনাবেচা হয় না। শহর থেকে শুরু করে গ্রামেও এটি সহজলভ্য।

বাংলাদেশের যুবসমাজের একটি বিরাট অংশ মাদকের করালগ্রাসে নিমজ্জিত। দিনদিন যুবসমাজের মাদকের প্রতি আসক্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৭০ লাখেরও বেশি। যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশই হচ্ছে শিশুকিশোর ও তরুণ-তরুণী। বিশাল সংখ্যক মাদকাসক্তের মধ্যে আবার প্রায় ৫৯ দশমিক ২৭ শতাংশ শিশু-কিশোর সঙ্গদোষ ও বন্ধুবান্ধবদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে, ৩৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কৌতূহলবশত হয়ে মাদক সেবনের মাধ্যমে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে।
মাদক সেবনে মানুষের শারীরিক ও মানসিক উভয়প্রকার ক্ষতিসাধন হয়। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্ক ও শ্বাসযন্ত্রের কার্যক্ষমতা দিন দিন কমতে থাকে। এসব জীবন বিধ্বংসী ক্ষতিকারক দ্রব্য সেবনের ফলে যুবসমাজের সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটছে। এরই পরিণাম স্বরূপ ছেলেমেয়ের হাতে মা-বাবা খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, রাহাজানি এখনকার নৈমিত্তিক ঘটনা।
মাদকাসক্ত হওয়ার প্রধান কারণ হলো মাদকের সহজলভ্যতা। এ ছাড়াও পারিবারিক কলহ, বেকারত্ব,প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির অসামঞ্জস্যতা, হতাশা ইত্যাদি কারণেও যুবসমাজ মাদকের প্রতি আসক্ত হচ্ছে। স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও মাদক পৌঁছে গেছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য ও শৈশব থেকে তাদের লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে। কিন্তু শঙ্কার বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোকে আজকে মাদক গ্রাস করে ফেলেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চললেও অভিযান চালানো হয় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ফলে  বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিরাপদে মাদক গ্রহণের আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিণত হচ্ছে।

অনেক বহিরাগত নিরাপদে মাদক সেবনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে  ভিড় করে। ক্যাম্পাসে অবাধে মাদকের বিচরণ সাধারণ শিক্ষার্থীকে মাদক সেবনের প্রতি প্রভাবিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়  মাদকের বিস্তার রোধ করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিটি হলে পরামর্শদাতা নিয়োগ দিতে হবে এবং প্রতিবছর ভর্তি প্রক্রিয়ায় ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালীন কয়েক দফায় এ ডোপ টেস্ট হতে পারে।

মাদকের এই নীল দংশন থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে গড়ে তুলতে হবে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা। এ ছাড়াও দেশে  মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং  মাদক চোরাচালানকারীদের  দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মাদক প্রতিরোধে  সরকারের পাশাপাশি  বেসরকারি সংগঠন এনজিও, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম বা অন্যান্য ধর্মের বিশিষ্টজন, পিতামাতা, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।  স্ব স্ব ক্ষেত্রে থেকে তাঁরা তাঁদের বক্তব্য ও কর্মের মাধ্যমে জনগণকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলবেন এটা আমাদের প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews