1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়ির পাইন্দংয়ে অবৈধভাবে টিলা কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মানবাধিকার শান্তি পদক পেলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। চৌদ্দগ্রামে জামায়াত নেতার প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা জবর দখলের চেষ্টা! ফটিকছড়িতে চা বাগানের ম্যানেজারকে কুপিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা ছিনতাই, আটক ২ রাজনীতি মানুষের সার্বিক জীবন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন! মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করাই আমার লক্ষ্য চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাস থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও ৬০ বোতল মদ উদ্ধার চৌদ্দগ্রামের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ অনুমোদনের জন্য ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামরুল হুদা ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালিকে দেশে ফেরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কালীগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, কিন্তু কম দামে ক্ষতির শঙ্কায় কৃষক

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং ধানের দাম কমে যাওয়ায় লাভ তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রেই খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবছর কালীগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে মোট ৯ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। উপজেলার তুমুলিয়া ও নাগরী ইউনিয়নের বেরিবাঁধসংলগ্ন অল্প কিছু জমি ছাড়া অধিকাংশ জমিই এক ফসলি। বর্ষা মৌসুমে এসব জমি পানির নিচে তলিয়ে যায়, ফলে বছরের একটি বড় সময় কৃষকদের কর্মসংস্থান থাকে না। তাই বোরো মৌসুমের এই ধানই তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে গড়ে প্রায় ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে রয়েছে জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি, চারা রোপণ, সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, ট্রাক্টর ভাড়া এবং ধান কাটা ও মাড়াইয়ের শ্রমিক খরচ। কিন্তু বর্তমানে বাজারে ধানের দাম কেজিপ্রতি মাত্র ২০ টাকার আশেপাশে। এতে এক বিঘা জমি থেকে উৎপাদিত ধান বিক্রি করে আয় হচ্ছে আনুমানিক ১৯ হাজার টাকার কিছু বেশি, যা খরচের তুলনায় খুবই সামান্য লাভ বা অনেক ক্ষেত্রে লোকসান।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় ধান কাটাই এখন সবচেয়ে ব্যয়বহুল ধাপ। এর সঙ্গে সার ও সেচের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি, বরং কমে গেছে।

এদিকে কৃষি অফিস থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের সুনির্দিষ্ট মূল্য সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না পাওয়া গেলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, সরকার ধানের মূল্য কেজিপ্রতি ৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা বর্তমান বাজারমূল্যের প্রায় দ্বিগুণ। কৃষকদের দাবি, যদি এই মূল্যে সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হয়, তাহলে তারা কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখতে পারবেন।

কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের উদ্যোগ না নেওয়া হলে এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না করা গেলে তারা ভবিষ্যতে কৃষিকাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, অন্যদিকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, কৃষকদের টিকিয়ে রাখতে হলে অবিলম্বে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন জরুরি।

বাম্পার ফলনের আনন্দ যেন ক্ষতির বেদনায় ম্লান না হয়—এমনটাই প্রত্যাশা কালীগঞ্জের হাজারো কৃষকের। এখন দেখার বিষয়, তাদের এই ন্যায্য দাবির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews