1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে কারাগারের কারাবন্দিরাও উদ্দীপ্ত-‘৯৫ বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৫ এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে প্রবাসী কমিউনিটি ও বিএনপি নেতা আব্দুল খালিক এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ বেনাপোলের সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক ফটিকছড়িতে টিলা কাটা ও মাটি অপসারণে জরিমানা ১ লাখ টাকা আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-৩, আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা আবেগে উচ্ছ্বাসে যাদের কাছে ঋনী-১, “বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট স্বীকৃতি অর্জন করলেন পাবনার কবি এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ” বেনাপোল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা পিন্টু ৪০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন

ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে কারাগারের কারাবন্দিরাও

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪ বার

মীর হোসেন মোল্লাঃ দেশের সব কারাগারে বন্দিরা ঈদের নামাজ আদায়ের পরপরই ঈদুল ফিতরের আনন্দ উৎসবে অংশ নেবেন। নতুন পোশাক গায়ে দিয়ে তারা চার দেয়ালের ভেতরে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনীতেই ঈদ উদযাপন করবেন। এ উপলক্ষে কারাগারগুলোতে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা এবং ঈদের বিশেষ খাবারের আয়োজন, যা সব বন্দির জন্য সমানভাবে পরিবেশন করা হবে।

কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে বন্দি সাবেক মন্ত্রী-এমপি, আমলাসহ অন্যান্য বন্দিরা পরিবারের পক্ষ থেকে ঈদের নতুন পোশাক পেয়েছেন।

অন্যদিকে, দুস্থ বন্দিদের জন্য কারা অধিদপ্তর ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলায় আটক আওয়ামী লীগ সরকারের এসব সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও সচিবসহ প্রায় সবাই এবার প্রথমবারের মতো ঢাকার কেরানীগঞ্জে বিশেষ কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন। যদিও গত বছর তাদের অনেকেই কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারেই ঈদ উদযাপন করেছিলেন।

সাবেক আইজিপি ও রাজসাক্ষী আব্দুল্লাহ আল মামুন একই কারাগারে অবস্থান করলেও অন্যান্য বন্দিদের চোখের আড়ালে একটি পৃথক কক্ষে একাকী থাকেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাকে ঈদের জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে তিনি নিজে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে গোটা দেশ। সেই আনন্দে অংশ নেবেন কারাবন্দিরাও।

কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুস্থ বন্দিদের জন্য নতুন পোশাক লুঙ্গি, গেঞ্জি ও পাঞ্জাবি সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠানো নতুন পোশাক হাতে পেয়েছেন গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় বন্দি সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ অন্যান্যরা।

বৃহস্পতিবার কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-উন্নয়ন ও গণমাধ্যম) মো. জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, বন্দিদের ঈদ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কারাগারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফুটবল খেলা ও অন্যান্য বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের দিনসহ তিন দিনের মধ্যে একদিন বন্দিরা স্বজনদের সঙ্গে তিন মিনিট মোবাইলে বিনামূল্যে কথা বলার সুযোগ পাবেন। একই সময়ের মধ্যে একদিন স্বজনরা কারাগারে গিয়ে বাসা থেকে রান্না করা খাবার বন্দিদের দিতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগও থাকবে।

ঈদ উপলক্ষে দেশের সব কারাগারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং কারা গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারা সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় বন্দি সাবেক আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানসহ মন্ত্রী, এমপি, সচিব ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ১২৩ জন বন্দিকে কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে রাখা হয়েছে। এর আগে তারা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন করলেও এবার প্রথমবারের মতো বিশেষ কারাগারে ঈদ পালন করবেন।

বিশেষ কারাগারে থাকা বন্দিদের জন্য তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ঈদের নতুন পোশাক পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী সেগুলো বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এসব বন্দির অধিকাংশই বয়সে প্রবীণ; তাদের জন্য পায়জামা-পাঞ্জাবিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ কারাগারে ঈদের একটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে এসব বন্দি অংশগ্রহণ করবেন।

ঈদ উপলক্ষে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকলেও বিশেষ কারাগারে বিনোদনের আয়োজন সীমিত। তবে বিশেষ কারাগারে কর্মরত সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের অংশগ্রহণে একটি ফুটবল খেলার আয়োজন হতে পারে। খেলা অনুষ্ঠিত হলে সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ অন্যান্য বন্দিরা তা উপভোগ করবেন।

কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে একই বাউন্ডারির মধ্যে পৃথক ওয়ার্ডে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাখা হয়েছে। তিনি ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাকে জামাতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে অন্যান্য বন্দিদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা হয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজনস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, দেশের সব কারাগারে দুস্থ বন্দিদের তালিকা করে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর ও কারা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সব কারাগারেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে এবং বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন বিনোদনের আয়োজন করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে থাকা সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য বিনোদনের আয়োজন তুলনামূলক সীমিত হলেও সেখানে অবস্থানরত কয়েদিদের অংশগ্রহণে একটি ফুটবল খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদের দিন সেখানে একটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সবাই একসঙ্গে নামাজ আদায় করবেন।

আইজি প্রিজনস আরও জানান, ঈদের দিন সকালে তিনি নিজেই কারাগার পরিদর্শনে যাবেন, বন্দিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গেও কুশলাদি বিনিময় করবেন।

এই বিশেষ কারাগারে আটক আওয়ামী লীগ সরকারের আলোচিত রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী-এমপি ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যারা রয়েছেন, তারা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

এ ছাড়া সাবেক মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, সাবেক দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, সাবেক এমপি জাহিদ হাসান শামীম, সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ, সাবেক এমপি মো. শহিদুজ্জামান সরকার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিবির সাবেক কর্মকর্তা জাবেদ ইকবাল এবং সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তবে কারাগারের একটি সূত্র জানিয়েছে, কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগারে ঈদ উপলক্ষে বন্দি সাবেক মন্ত্রী, এমপি, সচিবসহ অন্যান্যরা একত্রিত হয়ে নামাজ আদায় করবেন। কারাগারের বাস্তবতায় তাদের এভাবে একসঙ্গে হওয়া একেবারেই বিরল। শুধুমাত্র ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্যই এই একত্রিত হওয়া। এসব বন্দি একই কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে অবস্থান করলেও নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের বাইরে অন্য ওয়ার্ডের বন্দিদের সঙ্গে সাধারণত সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান না।

সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন। তিনি ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। রাজসাক্ষী হওয়ায় তিনি মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেয়ে ৫ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews