মাঈন উদ্দিন মাসুদ: জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) -এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক তহিদুল ইসলাম সাজু। কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীহাট ইউনিয়ন বাহেরগড়া গ্রামের অধিবাসী হাজী নুরুল ইসলামের সুযোগ্য সন্তান তহিদুল ইসলাম সাজু জনসেবার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে ব্যাপক সু-পরিচিতি লাভ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন সাধারণ মানুষের সেবায়। সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করে চলেছেন সাধারণ মানুষের।
স্থানীয়রা জানায়, তহিদুল ইসলাম সাজু এমনই একজন সমাজ সেবক যিনি সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে। একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান তরুন সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন নামক একটি সামাজিক সেবামূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় সাধারন মানুষের সেবা অব্যাহত রাখেন তিনি।
জানা যায়, তহিদুল ইসলাম সাজু একজন সমাজ সেবক হিসেবে এলাকায় তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করছেন। তিনি একজন সৎ, ন্যায়, নীতিবান, উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে সর্বোপরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তিত্ব হিসেবে নই সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন, যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম।
তহিদুল ইসলাম সাজু এলাকায় যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী, তেমনি একজন সমাজ সেবক হিসেবে সমাজে সমধিক পরিচিত। সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ প্রচ্ছন্নতায় তিনি সমাজ সেবায় এক উজ্জ্বল তারকা। তিনি হাটি হাটি পা পা করে দ্রুত নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বর্ণীতার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখী সহ সমাজের সাধারন মানুষের সঙ্গী। তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষকে মনে প্রানে ভালো বাসেন।
মুন্সীরহাট ইউনিয়ন এলাকার সচেতন মহলের মুখ থেকে তহিদুল ইসলাম সাজুর বেশ সুনাম শোনা যায়। তিনি সব সময় তার এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। তার মতে, “আমি সাড়া জীবন সাধারন মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যাবো। এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার রয়েছে। তরুণ সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, গরিব-অসহায় মানুষকে দান-সহযোগিতা করা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। গরিব-অসহায় এবং কর্মক্ষম-ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিকতার পরিচয়ই নয়, অসহায়দের দান-সহযোগিতাযয় আল্লাহর দয়া ও করুণা বর্ষিত হয়। আমার সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল মানুষকে সাহায্য করা। আমি নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিত্তবান লোকজনও তাদের সামর্থ অনুযায়ি মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এতে করে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
এলাকার তরুন ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে তরুন সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, দেশকে অনেক দূর নিয়ে যেতে হবে এই জন্য কয়েকজনকে ভাল কাজ করলে চলবে না। সুশিক্ষা গ্রহণের জন্য এবং মানবিক কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। একটি জাতির সমস্যা সমাধান করতে হলে শিক্ষা গ্রহণ জরুরি। কারণ শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। দেশ এবং মানুষের সেবা করারজ জন্য সবার মেধাশক্তিকে আগামীর জন্য তৈরীর করতে হলে পড়তে হবে, জানতে হবে। পড়ার বা জানার কোন বিকল্প এখনও আবিষ্কার হয়নি। তহিদুল ইসলাম সাজু আরো বলেন, একজন মানুষ জীবনে যা চেয়েছে ঠিক যথাসময়ে তা পেয়েছে এটা আমি বলবো না। কিন্তু এতে হতাশ হলে চলবে না। সবাইকে মনে রাখতে হবে আজকের চাওয়া আগামীকাল দ্বিগুণ হয়ে আপনার কাছে আসতে পারে।
তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে প্রতিদিন নতুন নতুন সংকট আসবে, আপনাকে মেধা দ্বারা তার সমাধান করতে হবে। পথ গুলোকে অতিক্রম করতে হবে। চলার পথে আমরা অনেক কঠিন সময় আসবে, অনেক ভুল আপনী আমি করতেই পারি, এতে হতাশ হবেন না। মনে রাখতে হবে আগামীকাল আপনার জন্য নতুন কিছু অপেক্ষা করছে। নিজেই নিজের জীবনের সকল পথ অতিক্রম করতে পারবেন। মনে রাখবেন শিক্ষার্থী সমাজের একটি অংশ-আর পরিবার হল সমাজের একক। সেদিক থেকে শিক্ষার্থীকে সামাজিকভাবে একনিষ্টতার সাথে বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অনেক। সমাজব্যবস্থাকে সুন্দর করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী হবে বড় দূত। কারণ শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের উপর দারুণভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই মা-বাবা ছোট্ট একজন শিশুকে কেন্দ্র করে একটি বার্তা প্রেরণ করলে তা একটি সঠিক দিক-নির্দেশনাও হতে পারে।
তহিদুল ইসলাম সাজু আরো বলেন, ছাত্রজীবন থেকে কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে, মনোসংযোগ ঘটাতে হবে দায়িত্বের প্রতি। তবেই আস্তে আস্তে আপনার আমার সফল হওয়ার প্রতিটি পথ অতিক্রম করতে পারবো। কর্মজীবনে মেধাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অনেক উন্নতি হবে। সর্বোপরি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে নিজেকে সময় দিতে হবে, আত্নবিশ্বাসী হতে হবে। আত্নবিশ্বাসী হলে কর্মক্ষেত্রে বা পরিবারে উভয় স্থানে সমানভাবে সুযোগ পাবে। একজন মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজ হবে সুন্দর নিজেকে সফল মানুষ হিসাবে দাবি করা সম্ভব হবে।
Leave a Reply