1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে কারাগারের কারাবন্দিরাও উদ্দীপ্ত-‘৯৫ বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৫ এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে প্রবাসী কমিউনিটি ও বিএনপি নেতা আব্দুল খালিক এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ বেনাপোলের সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক ফটিকছড়িতে টিলা কাটা ও মাটি অপসারণে জরিমানা ১ লাখ টাকা আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-৩, আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা আবেগে উচ্ছ্বাসে যাদের কাছে ঋনী-১, “বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট স্বীকৃতি অর্জন করলেন পাবনার কবি এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ” বেনাপোল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা পিন্টু ৪০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন

ঢাকা–১৬ আসনে প্রশ্নের মুখে জামায়াত প্রার্থী: জনভিত্তি, উপস্থিতি ও ভোটযোগ্যতা নিয়ে তদন্তের দাবি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৭ বার

জনভিত্তির সংকট, সাংগঠনিক অনুপস্থিতি ও ভোটযোগ্যতা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা-১৬ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বাতেনকে কেন্দ্র করে এলাকায় একাধিক গুরুতর অভিযোগ ও প্রশ্ন ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি সামনে আসছে, তা হলো—এই আসনে প্রার্থী ও দলের প্রকৃত জনভিত্তি আদৌ আছে কি না। স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও দায় নির্ধারণের জন্য নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ব্যবসা ও অর্থনৈতিক তৎপরতা

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রার্থী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসা নিয়ে এলাকায় আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য ও চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই ও তদন্ত ছাড়া এসব বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলো সরাসরি নিজের নামে না চালিয়ে স্ত্রী ও নিকটাত্মীয়দের নামে পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত মালিকানা ও দায় নির্ধারণ জটিল হয়ে উঠছে বলে তাদের দাবি।

রাজনৈতিক অবস্থান ও দ্বৈত যোগাযোগ নিয়ে সন্দেহ

রাজনৈতিক অঙ্গনেও আব্দুল বাতেনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা ও ইখলাস উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। যে মার্কেটে তিনি ফার্মেসি পরিচালনা করেন, সেই মার্কেটের মালিকানা সাবেক এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার—এ তথ্য নিয়েও আলোচনা চলছে।

সহিংস ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ছায়া আছে কি না—অনুসন্ধানের দাবি

এলাকায় সংঘটিত ককটেল বিস্ফোরণসহ কিছু সহিংস ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক মদদের অভিযোগ শোনা গেলেও এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য।

ভোটার প্রভাবিত করার কৌশল—নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আশঙ্কা

নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কালাপানি বস্তি, ঝিলপাড় বস্তি, শিয়ালবাড়ী বস্তি ও মিরপুর–১২ মোল্লা বস্তিসহ কয়েকটি এলাকায় রাতের আঁধারে দরিদ্র ভোটারদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভোটের বিনিময়ে জনপ্রতি প্রায় দুই হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভোট দিতে না চাইলে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরও অর্থ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে।

ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহারের অভিযোগ—আইন ও নৈতিকতার প্রশ্ন

অভিযোগ রয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গোপনে এমন বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে যে, নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিলে গুনাহ মাফ হবে কিংবা জান্নাত নিশ্চিত হবে। রূপনগর–দুয়ারীপাড়া এলাকায় একজন স্থানীয় নেতা মসজিদ ও মাদ্রাসাকেন্দ্রিকভাবে এ ধরনের প্রচারণায় যুক্ত—এমন দাবিও করেছেন কয়েকজন বাসিন্দা।

সাধারণ মানুষের বক্তব্য

এলাকাবাসীর অনেকেই অভিযোগের পাশাপাশি ক্ষোভের কথাও প্রকাশ করেছেন। একাধিক বাসিন্দা বলেন, “বাতেনকে আমরা কোনো দিন এলাকায় দেখিনি। আপদে–বিপদে তিনি আসেন না। তাহলে আমরা তাকে কেন ভোট দেবো?”

আরেকজন বাসিন্দার ভাষ্য, “জামায়াত করলে কী হবে—জামায়াতের কোনো লোকজ আমির আমরা চিনি না। হুট করে দল বেঁধে আসে, আবার চলে যায়। সাধারণ মানুষের খোঁজ কেউ রাখে না।”

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যেসব রাজনৈতিক নেতা এলাকায় নিয়মিত থাকেন, মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে দাঁড়ান—ভোটের সময় তারাই মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে ওঠেন। হঠাৎ করে নির্বাচনের সময় এলাকায় উপস্থিত হওয়াকে অনেকেই লোক দেখানো তৎপরতা হিসেবে দেখছেন।

রাজনৈতিক উপস্থিতি ও সাংগঠনিক প্রশ্ন

ঢাকা–১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ ভোটাররা। অনেকেরই প্রশ্ন—এই আসনে জামায়াতের প্রকৃত অস্তিত্ব কোথায় এবং কোন জনভিত্তির ওপর তারা ভোট প্রত্যাশা করছে?

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “এলাকায় নিয়মিত কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম চোখে পড়ে না। জনগণের সুখ–দুঃখে পাশে থাকার নজিরও খুব কম। তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবে?”

ভোটারদের মতে, নির্বাচনের আগে হঠাৎ উপস্থিতি কিংবা দলবদ্ধভাবে সংক্ষিপ্ত সময়ের তৎপরতা দীর্ঘদিনের আস্থার বিকল্প হতে পারে না। ফলে জামায়াতের প্রার্থী ও দলীয় কাঠামো কতটা জনগণের সঙ্গে সংযুক্ত—সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সাংবাদিকদের মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধানের আহ্বান

ভাই–মিল্লাত ক্যাম্প, কালাপানি বস্তি, রূপনগর থানার সামনে ঝিলপাড় বস্তি, টি–ব্লক বস্তি, শিয়ালবাড়ী বস্তি, মিরপুর–১২ মোল্লা বস্তি, টেকের বাড়ি বস্তি ও উত্তর কালশী হিন্দুপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গোপন নির্বাচনী তৎপরতা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে সাধারণ মানুষের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। প্রতিটি এলাকায় দু–একজন স্থানীয় প্রতিনিধি সহযোগিতা করলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানা সম্ভব হবে—ভোটের বিনিময়ে কী ধরনের আশ্বাস বা অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

কেন জরুরি নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত

সামগ্রিকভাবে ঢাকা–১৬ আসনের পরিস্থিতি একাধিক গুরুতর প্রশ্ন সামনে আনছে—প্রার্থী কি সত্যিই জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক সংযোগ তৈরি করতে পেরেছেন? নাকি নির্বাচনী সময়কে কেন্দ্র করে সীমিত ও সংগঠিত তৎপরতার মাধ্যমেই আস্থা আদায়ের চেষ্টা চলছে?

সচেতন মহলের মতে, এসব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট না হলে নির্বাচন নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। তাই নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

উপরোক্ত সব অভিযোগ স্থানীয়দের বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। লেখক: রাজু আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews