1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে কারাগারের কারাবন্দিরাও উদ্দীপ্ত-‘৯৫ বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৫ এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে প্রবাসী কমিউনিটি ও বিএনপি নেতা আব্দুল খালিক এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ বেনাপোলের সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক ফটিকছড়িতে টিলা কাটা ও মাটি অপসারণে জরিমানা ১ লাখ টাকা আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-৩, আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা আবেগে উচ্ছ্বাসে যাদের কাছে ঋনী-১, “বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট স্বীকৃতি অর্জন করলেন পাবনার কবি এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ” বেনাপোল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা পিন্টু ৪০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন

জুলাই থেকে নামছে ইলেকট্রিক বাস

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ৫২ বার

আরমানঃ ঢাকার সড়কে গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলা, বাসের জন্য যাত্রীদের দুর্ভোগ যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে সেখানে যাত্রী ওঠানামা, অসৌজন্যমূলক আচরণ ও নিরাপত্তার সংকট সব মিলিয়ে  যাত্রীদের ভোগান্তি আর ভোগান্তি। এই বাস্তবতা উত্তরণ হতে যাচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে নতুন রুট-ভিত্তিক গণপরিবহন প্রকল্প, যার লক্ষ্য শহরের যানবাহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবাকে মানবিক ও যুগোপযোগী করা।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) । সমন্বিত এই উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, দুই সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএ ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন সংগঠনগুলো।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “আমাদের শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা যাতায়াত। এই সমস্যা শুধু অবকাঠামো দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়; দরকার শৃঙ্খলা, সমন্বয় ও যাত্রীকেন্দ্রিক পরিকল্পনা। আমরা সেটাই করতে যাচ্ছি। ১ জুলাই থেকে যে প্রকল্প চালু হচ্ছে, তা পরীক্ষামূলক নয়; এর মাধ্যমে শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।”

উপদেষ্টা বলেন, “এই উদ্যোগে শুধু ইলেকট্রিক বাস নামানোই নয়, শহরের পরিবহন ব্যবস্থাকে সময়নিষ্ঠ, নিরাপদ ও মানবিক করা হচ্ছে। সড়কে সুশৃঙ্খল চলাচলের জন্যই রুট-ভিত্তিক মডেল এবং মালিকদের সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে।”

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় থাকবে নির্দিষ্ট রুট-ভিত্তিক বাস, বাস থামার নির্দিষ্ট স্টপেজ, একক ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা, বাস মালিকদের সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম, প্রশিক্ষিত চালক ও সহকারী, বাসে সিসি ক্যামেরা ও জিপিএস ট্র্যাকিং, নারী-শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নিরাপদ সেবা। শুরুতে ঢাকা শহরের চারটি নির্দিষ্ট রুটে এই ব্যবস্থা চালু হবে। পরবর্তী ধাপে বর্ধিত রুট অন্তর্ভুক্ত করে পুরো ঢাকা শহরে তা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, “এত দিন আমাদের পরিবহন ব্যবস্থা ছিল ব্যক্তি মালিকানাধীন ও প্রতিযোগিতামূলক। এতে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো। এই রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল বাস্তবায়ন হলে পরিবহন ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত শৃঙ্খলা ফিরবে এবং নাগরিক ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।”

তবে এই প্রকল্প নিয়ে কিছু শঙ্কাও রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ, মালিকদের মধ্যে স্বার্থের সংঘাত এবং টিকিট রাজস্ব বণ্টনের মতো ইস্যুগুলো সমাধান না হলে প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির  সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম বিপুল বলেন, “সরকারের পরিকল্পনা ভালো কিন্তু চালক-হেলপারদের মানবিক দিকটা নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক বেতন, নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ ছাড়া এই উদ্যোগ স্থায়ী হবে না।”

যাত্রীরাও চাইছেন এই উদ্যোগ যেন আরেকটি অসম্পূর্ণ প্রকল্পে পরিণত না হয়।

মতিঝিলের কর্মজীবী নারী সোনিয়া রহমান বলেন, “বাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করি। যদি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট রুটে বাস চলে এবং যাত্রীদের সম্মান দিয়ে সেবা দেওয়া হয়, তাহলে এটা অবশ্যই বড় পরিবর্তন হবে।”

নগর উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা শহরের মতো একটি ঘনবসতিপূর্ণ মেগাসিটিতে কার্যকর গণপরিবহন ব্যবস্থা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পটি সফল হলে এটি হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর জন্য একটি রোল মডেল।

ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী মনিরুল ইসলাম বলেন, “ইলেকট্রিক বাস খুব ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এটা যেন কয়েক মাস পর বন্ধ না হয়ে যায়। পুরোনো অভিজ্ঞতায় আমাদের অনেক হতাশা জমে আছে।”

তিনি বলেন, “ঢাকায় বহু প্রকল্প এসেছে, কিছু শুরু হয়ে হারিয়ে গেছে, কিছু আর বাস্তবায়নই হয়নি। তবে এই বিদ্যুৎচালিত গণপরিবহন প্রকল্প, সরকারি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয়, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন, এবং প্রযুক্তিনির্ভর রূপরেখাসব মিলিয়ে এই উদ্যোগে বাস্তব পরিবর্তনের সম্ভাবনা অনেক বেশি। শহর যেমন তার রাস্তা ও যানবাহনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে, তেমনি তার স্বপ্ন ও সংগ্রামের ছাপ পড়ে সেখানেও। ১ জুলাইয়ের নতুন সুচনা হবে এটা প্রত্যাশা।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বায়ু দূষণের অন্যতম বড় উৎস হলো পুরোনো ডিজেলচালিত বাস। ইলেকট্রিক বাস চালু হলে শুধু শহরের যান চলাচল নয়, বাতাসও হবে পরিচ্ছন্ন।

পরিবেশ গবেষক ড. ফারজানা কবির বলেন, প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ শ্বাস নেয় কালো ধোঁয়ায়। বিদ্যুৎচালিত বাসে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য। এটি শুধু শহরের পরিবেশ নয়, নাগরিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালে চারটি রুটে ইলেকট্রিক বাস চালু ও চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। ২০২৬ সালে অতিরিক্ত ১০০ বাস সংযোজন করা। ২০২৭ সালে দুটি  চার্জিং ডিপো নির্মাণ  করা। ২০২৮ সালে পুরোনো ডিজেলচালিত বাস অপসারণ শুরু করা। ২০২৯ ডিজিটাল টিকিটিং ও লাইভ ট্র্যাকিং সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা। ২০৩০ সালে ৪০০ বাস ও তিনটি ডিপোসহ সব কাজ সম্পন্ন করা। এটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক দেবে ২ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ সরকার দেবে ৩৭৫ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews