1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে খালি ঘর থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ধসে শিক্ষিকার মৃত্যু: এক মাস পর ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ​ চৌদ্দগ্রামে চরম ভোগান্তির নাম: চাঁপাচৌ-কালিয়াতল রাস্তা চালকবেশে ছিনতাই: কালীগঞ্জে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও আইফোন

প্রয়োজন প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১০০ বার

কবির আহমেদঃ জুলাই – আগস্ট বিপ্লবের অন্যতম কর্মসূচি ছিল রাষ্ট্রের সংস্কার। বছরের পর বছর চলে আসা রাষ্ট্রের বিভিন্ন কাঠামোর কোনোই পরিবর্তন কিংবা মেরামত কিছুই হয়নি। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হচ্ছে প্রশাসন। আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে কোনো সরকারের আমলেই কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রশাসন একটি সেবামূলক কার্যক্রম সেই ধারণাও বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় লেশমাত্র নেই। উল্টো রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে রেখেছে।

বাংলাদেশের ভূখণ্ডের চাইতে মানুষের সংখ্যা বেশি, বিপুল এই জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে একটি উন্নত ও আধুনিক প্রশাসন খুবই প্রয়োজন বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে মাঠ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর গুরুত্ব অনেক। যুগের পর যুগ মানুষ সেবাহীন হয়ে নাগরিকরা নিজের মতো করে চলে। রাষ্ট্রের সেবা তাদের স্পর্শ করে না৷ অথচ গণতান্ত্রিক শাসনের প্রধান সুফল পাওয়ার কথা ছিল জনগণের জন্য প্রশাসন। কিন্তু অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে, ৫০ দশকে জনগণ তাঁর রাষ্ট্রের স্বাদ আস্বাদন করেনি। প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার করে জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে নিম্নলিখিত প্রস্তাবনা পেশ করছি :
ক. প্রশাসনের সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাতে তা শুরু করতে হবে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে। তাই বিসিএস প্রশাসনে নিয়োগ সুপারিশ প্রাপ্তির পর ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তা বা Union executive officer ( UEO) হিসেবে কর্মস্থল শুরু হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে আলাদা কার্যালয় থাকবে ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তার।

খ. একজন ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মস্থলে যোগদান করার পর ন্যূনতম তিন বছর থাকবেন ইউনিয়ন প্রশাসক হিসেবে। এরপর তাকে ডিপুটি ইউএনও হিসেবে উপজেলা প্রশাসনে পদায়ন করা হবে। সেখানে ইউএনওর সাপোর্ট হিসেবে এবং ইউএনওর বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট দেখতে ন্যূনতম তিনজন ডিপুটি ইউএনও থাকবেন। তারপর ডিপুটি ইউএনও থেকে সফলভাবে যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে ইউএনও হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন। এইভাবে ইউএনও পরবর্তীতে জেলার সহকারী ডিসি তারপর ডিসি এভাবে ন্যূনতম তিন বছর মেয়াদ করে কাজ করবেন। আর এভাবে একজন যোগ্য প্রশাসক হিসেবে নিজ যোগ্যতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবেন।

গ. উপজেলা এসিল্যান্ড মাঠ প্রশাসনের আওতা হইতে বের করে এনে ভূমি – মন্ত্রণালয়ের আওতায় সম্পৃক্ত করতে হবে।

ঘ. মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম গতিশীল করতে ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্সে ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসকে অনলাইন সেবার আওতায় আনতে হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট সকল নাগরিকদের বিস্তারিত তথ্য থাকবে।

ঙ. মাঠ প্রশাসন প্রতি মাসে ইউনিয়নের সকল আইনশৃঙ্খলা তথ্য, দুর্যোগ মোকাবেলা, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য সহ গ্রামীণ অর্থনীতির একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটের রিপোর্ট উপজেলা প্রশাসনে প্রদান করবেন। প্রতিমাসে উপজেলা প্রশাসনের মিটিং এ ইউনিয়ন প্রশাসনের রিপোর্ট পর্যালোচনা হবে এবং সেই আলোকে পরবর্তী মাসে কাজের দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন ইউএনও।

চ. প্রতি বছর পর পর ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য থাকিবেন ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তারা। যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিভাগ ভিত্তিক এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। সেই প্রশিক্ষণে প্রশাসন, জনসেবা, আইটি, পরিসংখ্যান, আইনশৃঙ্খলা, ক্রিমিনোলজি, সোশ্যাল সায়েন্স, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হইবে। আর এই প্রশিক্ষণ পরবর্তী ছয়মাসে মাঠ প্রশাসনে প্রয়োগ করবে ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তারা।

ছ. সেবার প্রয়োজনে সাধারণ যে কোন মানুষ অনলাইনে আবেদন করে ইউএনও এবং ডিসির সাথে সাক্ষাৎ করার সাপ্তাহিক একটি নির্দিষ্ট দিন ধার্য থাকিবে। সেখানে সেবাপ্রার্থীরা ইনস্ট্যান্ট কিছু বিষয়ে সেবা পেয়ে থাকবেন। লেখকঃ কবির আহমেদ/ সাংবাদিক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews