1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে খালি ঘর থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ধসে শিক্ষিকার মৃত্যু: এক মাস পর ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ​ চৌদ্দগ্রামে চরম ভোগান্তির নাম: চাঁপাচৌ-কালিয়াতল রাস্তা চালকবেশে ছিনতাই: কালীগঞ্জে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও আইফোন

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সংস্কার কতদূর?

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৬১ বার

কবির  আহমেদঃ বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতার পালাবদলের বিষয় সামনে এলে ‘সংস্কার’ নিয়ে আলোচনাও সামনে আসে। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই আবারও সংস্কার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধান, বিচারব্যবস্থাসহ নানাকিছু সংস্কারে সরকার পদক্ষেপও নিয়েছে এবং গঠন করেছে বেশ কিছু কমিশন। তবে এসবের বাস্তবায়ন এবং সত্যিকারে সুফল পেতে হলে সবচেয়ে জরুরি যে সংস্কার—সেদিকে কার কতটুকু মনোযোগ আছে, সে প্রশ্ন রয়েই যায়। গণতন্ত্রের যে লক্ষ্য—মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মানবিক রাষ্ট্র হয়ে ওঠা, তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বোধকরি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সংস্কার করা। প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সংস্কার কতটুকু এগিয়েছে? বিশেষ করে ক্ষমতার পালাবদলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আদর্শ ও নীতি-ভিত্তিক লড়াইয়ের বদলে টাকা এবং পেশী শক্তির মহড়া তো এখনও দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা চলে, তাকে রাজনীতি না বলে বরং ‘ক্ষমতানীতি’ বলা যেতে পারে। যে দলের হাতে ক্ষমতা থাকে, তারা ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে সম্ভাব্য সকল কৌশল অবলম্বন করে। অন্যদিকে, যারা ক্ষমতার বাইরে থাকে, তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ফলে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি একটি ক্ষমতার লড়াইয়ের মঞ্চে পরিণত হয়েছে—যেখানে আদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ইত্যাদির কোনো অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্যতম সংকট হলো, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের অভাব। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক আদর্শের দুর্বলতা যথেষ্ট স্পষ্ট। এ অবস্থা উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়ন অপরিহার্য। সেজন্য হয়তো সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা সহ সরকারি নানা কিছুই সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এসব সংস্কারের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো কতখানি আশার আলো দেখাতে পারছে, তা নিয়ে সন্দিহান হওয়ার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী—এমন রাজনৈতিক আচরণ এখনও দেখা যাচ্ছে না বলেই মনে হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি বড় সমস্যা হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষমতার পালাবদল স্বাভাবিক উপায়ে হয়নি। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় একাধিক শাসককে হত্যা করা হয়েছে, কিছু শাসক স্বৈরাচারি হয়ে ওঠায় গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাদের পতন ঘটেছে। ফলে সাংবিধানিক বা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিষয়টি খুব কমই ঘটেছে। শাসকেরা অধিকাংশ সময়ই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে প্রতারণা, নির্বাচনকে বিতর্কিত করা, প্রশাসনকে নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করার মতো কাজ করেছে। রাজনৈতিক আদর্শের পরিবর্তে ক্ষমতার লড়াইই এখানে প্রাধান্য পায়। এর ফলে, সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা কোন পথে এগুচ্ছে এবং তার সফলতার সম্ভাবনা কতখানি, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েই গেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোতে আদর্শের দুর্বলতা এবং আদর্শহীনতার কারণে বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবার আগে দলের ভেতরে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করতে হবে। দলীয় গণতন্ত্র এবং নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও কার্যকরী হতে হবে।

নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও বাস্তবে জনগণের আস্থা অর্জন করার মতো তেমন কিছু এখনও দৃশ্যমান হয়নি। অতীতের নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম ও ভোট জালিয়াতির কারণে জনগণ নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। সুতরাং, নির্বাচনী পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা, স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নতি করতে শুধু নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারই যথেষ্ট নয়। সমান্তরালভাবে দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কাঠামোও সংস্কার করা উচিত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং ধনী-গরীব বৈষম্য দূরীকরণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব পদক্ষেপ দেশের সার্বিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়নে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর গঠন এবং পরিচালনা পদ্ধতি, তাদের উদ্দেশ্য—এসবের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপদ্ধতির সাথে খুব বেশি মিল নেই। আবার ইসলামপন্থি দলগুলোই নয় শুধু, বরং বিভিন্ন সময় সামরিক ক্ষমতা থেকে শুরু করে ক্ষমতার আসনে বসা সবগুলো দলই ধর্মকে ব্যবহার করেছে। এতে দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। গণতন্ত্র আরও দুর্বল হয়েছে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার প্রবণতা বাদ দিয়ে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলা। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংস্কার সফল হতে পারে না।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব প্রায় একক ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্বের বিকাশ না হলে, নতুন নেতৃত্ব তৈরি হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। দলের ভিতরে একক নেতৃত্বের পরিবর্তে বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি করতে হলে দলের ভেতরে গণতন্ত্রের চর্চাকে গুরুত্ব দিতে হবে। লেখকঃ কবির আহমেদ/ সাংবাদিক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews