1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে সততার নজির, সম্মাননা পাচ্ছেন নৈশপ্রহরী বাচা দালান ভেঙ্গে চৌদ্দগ্রামে এক সাংবাদিক পরিবারের সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা! আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার এক নির্মম চিত্র ফটিকছড়িতে সম্পত্তি বিরোধ: ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, চিকিৎসক থেকে ওসি—প্রতারণার জালে বিস্ফোরক অভিযোগ নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

কামরুল হুদা বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৫ বার

মীর হোসেন মোল্লা: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এরপর থেকেই কুমিল্লার-১১ আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মোঃ কামরুল হুদার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের।

জানা গেছে, আসন্ন এ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষকে নিয়ে, নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ কামরুল হুদা। অন্যদিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারনায় অংশগ্রহণ করছেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত প্রায় দুই যুগ থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে- সাধারন মানুষের পাশে থেকে, সমাজ সেবার মধ্যদিয়ে অর্জন করা জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে, ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ কামরুল হুদা। তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে কুমিল্লা-১১ আসনে তিনি হবেন জনগণের প্রধান ভরসা—এমনটাই আশা করছেন তার কর্মী-সমর্থক ও এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কামরুল হুদার ধানের শীষ প্রতীকের দিনব্যাপী প্রচারণাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। শুধু বিএনপি নয়। সর্বদলীয় মানুষ ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে সমর্থন জানিয়ে ভোটের মাঠে ব্যাপক প্রচারনা চালিয়ে গণজোয়ার তুলেছেন। প্রতিদিন ভোর বেলা থেকে রাত পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষ ভোটারদের বাড়ী ঘরে গিয়ে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
সূত্র আরো জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সারাদেশের মতো কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামেও এখন টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশেষ করে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ভোটের মাঠ ইতোমধ্যেই জমে উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত নাম বিএনপির জনপ্রিয় নেতা মোঃ কামরুল হুদা। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দলের নেতাকর্মী এবং সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত কামরুল হুদার পক্ষে দিনব্যাপী ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পথসভা এবং গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন।

গণসংযোগের সময় ভোটারদের উদ্দেশ্যে কামরুল হুদা বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনে তারেক রহমান যে ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়িত হলে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার সুসংহত হবে। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করলে, দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি সাপোর্ট কার্ড প্রদান করা হবে। তিনি জনগণের কাছে ধানের শীষে ভোট চান এবং দেশের চলমান সংকট উত্তরণে বিএনপির রূপরেখা তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের খোঁজখবর নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের উন্নয়নই আমার রাজনীতি। সুযোগ পেলে চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন করবো। তিনি গনসংযোগ করে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে- আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ধানের শীষে গণসংযোগ এবং পথসভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
এদিকে, জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) -এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, কামরুল হুদা ভাই অত্যন্ত ভাল মনের একজন মানুষ। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করেন না। সাধারন মানুষকে তিনি খুব ভালবাসেন। আসন্ন নির্বাচনে আমরা দলমত নির্বিশেষে ধানের শীষে ভোট দিয়ে কামরুল হুদা ভাইকে এমপি নির্বাচিত করবো ইনশাল্লাহ। কামরুল হুদা ভাইয়ের জন্য যেভাবে প্রতিটি গ্রামের মানুষ সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করছেন- চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন ইতিহাস। চৌদ্দগ্রামবাসী নতুন নেতৃত্ব দেখতে চায়। কামরুল হুদা ভাইয়ের মত একজন ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে সাধারন ভোটারগন ধানের শীষ মার্কায় তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে, নির্বাচিত করবেন বলে সচেতন মহল থেকে শুরু করে প্রবীণ রাজনীতিবীদরা মনে করছেন। সর্বোপরি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন আমার প্রানপ্রিয় চৌদ্দগ্রামের ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে, কামরুল হুদা ভাইকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন বলে আমরা তরুন ভোটাররা বিশ্বাস করি।

##
সাধারণ মানুষের কাছে সাজু আস্থাভাজন একজন ব্যক্তি হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন

আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি মাঈন উদ্দিন মাসুদের পাঠানো প্রতিবেদনে দেখুন বিস্তারিত

জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) -এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক তহিদুল ইসলাম সাজু। কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীহাট ইউনিয়ন বাহেরগড়া গ্রামের অধিবাসী হাজী নুরুল ইসলামের সুযোগ্য সন্তান তহিদুল ইসলাম সাজু জনসেবার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে ব্যাপক সু-পরিচিতি লাভ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন সাধারণ মানুষের সেবায়। সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করে চলেছেন সাধারণ মানুষের।

স্থানীয়রা জানায়, তহিদুল ইসলাম সাজু এমনই একজন সমাজ সেবক যিনি সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে। একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান তরুন সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন নামক একটি সামাজিক সেবামূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় সাধারন মানুষের সেবা অব্যাহত রাখেন তিনি।

জানা যায়, তহিদুল ইসলাম সাজু একজন সমাজ সেবক হিসেবে এলাকায় তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করছেন। তিনি একজন সৎ, ন্যায়, নীতিবান, উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে সর্বোপরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তিত্ব হিসেবে নই সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন, যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম।

তহিদুল ইসলাম সাজু এলাকায় যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী, তেমনি একজন সমাজ সেবক হিসেবে সমাজে সমধিক পরিচিত। সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ প্রচ্ছন্নতায় তিনি সমাজ সেবায় এক উজ্জ্বল তারকা। তিনি হাটি হাটি পা পা করে দ্রুত নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বর্ণীতার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখী সহ সমাজের সাধারন মানুষের সঙ্গী। তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষকে মনে প্রানে ভালো বাসেন।

মুন্সীরহাট ইউনিয়ন এলাকার সচেতন মহলের মুখ থেকে তহিদুল ইসলাম সাজুর বেশ সুনাম শোনা যায়। তিনি সব সময় তার এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। তার মতে, “আমি সাড়া জীবন সাধারন মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যাবো। এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার রয়েছে। তরুণ সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, গরিব-অসহায় মানুষকে দান-সহযোগিতা করা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। গরিব-অসহায় এবং কর্মক্ষম-ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিকতার পরিচয়ই নয়, অসহায়দের দান-সহযোগিতাযয় আল্লাহর দয়া ও করুণা বর্ষিত হয়। আমার সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল মানুষকে সাহায্য করা। আমি নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিত্তবান লোকজনও তাদের সামর্থ অনুযায়ি মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এতে করে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

এলাকার তরুন ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে তরুন সমাজ সেবক তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, দেশকে অনেক দূর নিয়ে যেতে হবে এই জন্য কয়েকজনকে ভাল কাজ করলে চলবে না। সুশিক্ষা গ্রহণের জন্য এবং মানবিক কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। একটি জাতির সমস্যা সমাধান করতে হলে শিক্ষা গ্রহণ জরুরি। কারণ শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। দেশ এবং মানুষের সেবা করারজ জন্য সবার মেধাশক্তিকে আগামীর জন্য তৈরীর করতে হলে পড়তে হবে, জানতে হবে। পড়ার বা জানার কোন বিকল্প এখনও আবিষ্কার হয়নি। তহিদুল ইসলাম সাজু আরো বলেন, একজন মানুষ জীবনে যা চেয়েছে ঠিক যথাসময়ে তা পেয়েছে এটা আমি বলবো না। কিন্তু এতে হতাশ হলে চলবে না। সবাইকে মনে রাখতে হবে আজকের চাওয়া আগামীকাল দ্বিগুণ হয়ে আপনার কাছে আসতে পারে।

তহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে প্রতিদিন নতুন নতুন সংকট আসবে, আপনাকে মেধা দ্বারা তার সমাধান করতে হবে। পথ গুলোকে অতিক্রম করতে হবে। চলার পথে আমরা অনেক কঠিন সময় আসবে, অনেক ভুল আপনী আমি করতেই পারি, এতে হতাশ হবেন না। মনে রাখতে হবে আগামীকাল আপনার জন্য নতুন কিছু অপেক্ষা করছে। নিজেই নিজের জীবনের সকল পথ অতিক্রম করতে পারবেন। মনে রাখবেন শিক্ষার্থী সমাজের একটি অংশ-আর পরিবার হল সমাজের একক। সেদিক থেকে শিক্ষার্থীকে সামাজিকভাবে একনিষ্টতার সাথে বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অনেক। সমাজব্যবস্থাকে সুন্দর করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী হবে বড় দূত। কারণ শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের উপর দারুণভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই মা-বাবা ছোট্ট একজন শিশুকে কেন্দ্র করে একটি বার্তা প্রেরণ করলে তা একটি সঠিক দিক-নির্দেশনাও হতে পারে।

তহিদুল ইসলাম সাজু আরো বলেন, ছাত্রজীবন থেকে কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে, মনোসংযোগ ঘটাতে হবে দায়িত্বের প্রতি। তবেই আস্তে আস্তে আপনার আমার সফল হওয়ার প্রতিটি পথ অতিক্রম করতে পারবো। কর্মজীবনে মেধাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অনেক উন্নতি হবে। সর্বোপরি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে নিজেকে সময় দিতে হবে, আত্নবিশ্বাসী হতে হবে। আত্নবিশ্বাসী হলে কর্মক্ষেত্রে বা পরিবারে উভয় স্থানে সমানভাবে সুযোগ পাবে। একজন মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজ হবে সুন্দর নিজেকে সফল মানুষ হিসাবে দাবি করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews