এম জি শাহ আলম পিন্টু: মানবিক সেবা এবং সমাজ সংস্কারে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মানবাধিকার শান্তি সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে সমাজ সেবক মীর আলমগীর হোসেন। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাজধানীর বিজয়নগরে হোটেল অরনেটের অডিটোরিয়াম হল রুমে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানিটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির সভাপতি এ টি এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মোঃ ফারুক হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডক্টর মোঃ সাদী উজ জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট রোকনউদদৌলা, একুশ পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডক্টর জসিম উদ্দিন আহমেদ, মানবাধিকার জোটের উপদেষ্টা সাংবাদিক মীর হোসেন মোল্লা সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ও আমন্ত্রিত মেহমানবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে এতিম শিশুদের অসহায় প্রবীণদের আশ্রয় প্রদান, এবং মৃতদেহ দাফন ও সৎ কাজসহ নানাবিধ সামাজিক কার্যক্রমে নিজেদের উৎসর্গ করেছে মীর আলমগীর হোসেন। বিশেষ করে এতিমখানা ও স্কুল মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজসেবার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা সরকারের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে একাধিকার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারন সম্পাদক মীর আলমগীর হোসেনকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। সামাজিক কাজে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সমাজ সেবক মীর আলমগীরকে এই সম্মাননা শান্তির পুরস্কার প্রদান করেছে বলে জানা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মীর আলমগীর হোসেন একজন সমাজ সেবক হিসেবে এলাকায় বিশেষ পরিচিতি লাভ করছেন। তিনি একজন সৎ, ন্যায়, নীতিবান, উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে সর্বোপরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তিত্ব হিসেবে নই সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন, যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম। এলাকায় যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী, তেমনি একজন সমাজ সেবক হিসাবে সমাজে সমধিক পরিচিত। সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি সমাজ সেবায় এক উজ্জ্বল তারকা। তিনি হাটি হাটি পা পা করে দ্রুত নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বর্ণীতার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখী সহ সমাজের সাধারন মানুষের সঙ্গী। অসহায় দরিদ্র মানুষের সহায়ক। তিনি সাধারন মানুষকে মনে প্রানে ভালো বাসেন। চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট এলাকার সচেতন মহলের মুখ থেকে মীর আলমগীর হোসেনের বেশ সুনাম শোনা যায়। তিনি সব সময় তার এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। তার মতে, “আমি সাড়া জীবন সাধারন মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যাবো। এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার। তরুণ সমাজ সেবক মীর আলমগীর হোসেন বলেন, এই অর্জন আমাদের সকল নিরলস পরিশ্রম, মানবতার প্রতি ভালোবাসা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। আমি বিশ্বাস করি মানবতার সেবায় আমাদের এই পথচলা আরও এগিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, গরিব-অসহায় মানুষকে দান-সহযোগিতা করা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। গরিব-অসহায় এবং কর্মক্ষম-ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিকতার পরিচয়ই নয়, অসহায়দের দান-সহযোগিতায় রয়েছে এমন সওয়াব, যার মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও করুণা বর্ষিত হয়। সমাজ সেবায় একাধিকবার পুরস্কার প্রাপ্ত মীর আলমগীর হোসেন বলেন, সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল মানুষকে সাহায্য করা। মিডিয়াতে প্রকাশ করা না। আমি নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিত্তবান লোকজনও তাদের সামর্থ্য অনুযায়ি মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এতে করে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
Leave a Reply