মীর হোসেন মোল্লা: মানব কল্যানে এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদান রাখার জন্য- চৌদ্দগ্রামের শ্রেষ্ঠ প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখযোগ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের আলমগীর হোসেন। ৯ মে শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর হোটেল অরনেট (থ্রী স্টার) অডিটোরিয়ামের হল রুমে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির উদ্যেগে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে আলমগীর হোসেনকে এ সম্মাননা পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে “শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুনীজন সম্মাননা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির সভাপতি এ টি এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মোঃ ফারুক হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডক্টর মোঃ সাদী উজ জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট রোকনউদদৌলা, একুশ পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডক্টর জসিম উদ্দিন আহমেদ, মানবাধিকার জোটের উপদেষ্টা সাংবাদিক মীর হোসেন মোল্লা সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ও আমন্ত্রিত মেহমানবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলারআলমগীর হোসেন একজন উদীয়মান সমাজসেবক হিসেবে কাশিনগর ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় অর্জন করেছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। স্থানীয়রা জানায়, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে পরোপকারী কাজে ব্যস্ত রেখে, সাধারণ মানুষের সেবায় নিরলস ভূঁমিকা পালন করে আসছেন। একজন সচেতন ব্যক্তি হিসেবে তিনি সাধ্য অনুযায়ী সাধারন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দুর্যোগে তিনি তাঁর সাধ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। তিনি নিজেকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে দিতে চান। ফলে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনকে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে সম্মাননা পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মানবাধিকার শান্তি পদক প্রাপ্ত সমাজ সেবক আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে- এলাকার রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সমাজসেবক হিসেবে নিজ এলাকায় তিনি শক্ত অবস্থান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে এলাকার অসহায়- গরীবদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। কাশিনগর ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এলাকায় মাদক বিরোধী আন্দোলন এবং সভা সেমিনারের আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রেখেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জনগণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আলমগীর হোসেন এলাকার সকল শ্রেনীপেশার মানুষের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং সবসময় কাশিনগর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সমাজসেবক আলমগীর হোসেনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নের জনগণ। সচেতন জনগন আরো জানায়, দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি- পেশার মানুষ তার আলমগীর হোসেনের আচার- ব্যবহারে মুগ্ধ। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিবেদিত প্রাণ। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির এক পর্যবেক্ষণে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল প্যানেল চেয়ারম্যান সকল কার্যক্রম খতিয়ে দেখার পর- সার্বিক দিক বিবেচনা করে, সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য–চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনকে মানবাধিকার শান্তি পদক এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির হাত থেকে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করে, কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সমাজ সেবক আলমগীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই সম্মাননা আমার জন্য শুধু এটি পুরস্কার নয়, এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এই সম্মানে ভূষিত করেছেন। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে সমাজের জন্য কাজ করে যেতে। সমাজসেবা আমার কাছে কোনো পেশা নয়, এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমরা প্রত্যেকে যদি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
আলমগীর হোসেন আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি, একজন মানুষের ছোট একটি উদ্যোগও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
এই সম্মাননা আমি উৎসর্গ করছি সেইসব মানুষদের, যারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন এবং আমাদের অনুপ্রেরণা জোগান। পাশাপাশি আমি ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবার, বিএনপির সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের, যাদের সহযোগিতা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। পরিশেষে, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আমি আমার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।
Leave a Reply