ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট উত্তর বারোমাসিয়া খন্দকার পাড়ায় সংঘটিত সাম্প্রতিক গণপিটুনির ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় এক মাদ্রাসা পরিচালককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার ১৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে আলেম ও হাফেজ মনসুরকে। তবে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফেজ মনসুর দীর্ঘদিন ধরে করেরহাট এলাকার একটি মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকায় পরিচিত মুখ।
অধিকাংশ সময় মাদ্রাসা ও শিক্ষার্থীদের খেদমতে ব্যস্ত থাকলেও সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন নিজ বাড়িতে অবস্থান করেন তিনি।
এলাকাবাসীর মতে, তিনি শান্তশিষ্ট ও সাদাসিধে জীবনযাপনের জন্য পরিচিত এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। বহু শিক্ষার্থীর প্রিয় শিক্ষক হিসেবেও তার সুনাম রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে হাফেজ মনসুর বলেন, “ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমি ঘটনাস্থলের আশেপাশেও ছিলাম না এবং ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানতাম না।”
তিনি বলেন, “আমি প্রশাসনের কাছে আমার নির্দোষতার পক্ষে সকল তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে প্রস্তুত। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”
উল্লেখ্য:গত ৪ এপ্রিল উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়ন-এর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলি এলাকার খন্দকার পাড়ায় চুরির অভিযোগে মো: নুরুল আবছার (৪৫) কে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উছছে। তিনি একই এলাকার নাবিদুর রহমানের ছেলে।
Leave a Reply