ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি ওই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সংবাদটিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
১ এপ্রিল বুধবার দৈনিক যুগান্তরে “ফটিকছড়ি ওসির রোড পারমিট ২ লাখ টাকা” শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ফটিকছড়ি এলাকায় চলাচলকারী বাঁশ, গাছ ও বালি বহনকারী বিভিন্ন গাড়ি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আদায়কৃত অর্থের একটি অংশ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা এবং কিছু সাংবাদিকের মধ্যেও বণ্টন করা হয়।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, “প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রতিবেদনে যে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই।” তিনি আরও বলেন, “আমি ফটিকছড়িতে অবৈধ বালি উত্তোলন, মাটি কাটা সহ সব ধরনের অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে এমন সংবাদ প্রকাশে প্ররোচিত করেছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়ি থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। অবৈধ বালি উত্তোলন, মাটি কাটা সহ বিভিন্ন ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ওসি সেলিম উদ্দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়—সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আসছেন।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও বলেন, “আমি সর্বদা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছি। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে এবং পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করে।”
তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে ভবিষ্যতে তথ্য যাচাই-বাছাই করে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান এবং এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
Leave a Reply