1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে সততার নজির, সম্মাননা পাচ্ছেন নৈশপ্রহরী বাচা দালান ভেঙ্গে চৌদ্দগ্রামে এক সাংবাদিক পরিবারের সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা একজন রাজনীতিবিদ বীরপুরুষ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা! আমাদের সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থার এক নির্মম চিত্র ফটিকছড়িতে সম্পত্তি বিরোধ: ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, চিকিৎসক থেকে ওসি—প্রতারণার জালে বিস্ফোরক অভিযোগ নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

চৌদ্দগ্রামে দাঁড়িপাল্লার চাইতে ধানের শীষের বেশি জনপ্রিয়

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৮ বার

মীর হোসেন মোল্লাঃ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনে চলমান রাজনৈতিক আলোচনা ও সাধারণ জনমত জরিপে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের তুলনায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি মানুষের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশেষ করে ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সাধারণ মানুষের কাছে একটি আস্থাশীল, নির্যাতিত ও নীতিগত রাজনীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

চৌদ্দগ্রামের মানুষদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা মোঃ কামরুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতি, সাংগঠনিক ভূমিকা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার কারণে এই আসনের জন্য একজন শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। তার রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট, অতীত ভূঁমিকা পরিচ্ছন্ন এবং জনগণের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, যা তাকে মানুষের কাছে আস্থার জায়গায় নিয়ে গেছে।
অন্যদিকে, জামায়াত ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা দলটির নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের একজন জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে পরিচিত হলেও, চৌদ্দগ্রাম আসনের সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে তাদের পছন্দের তালিকায় রাখতে পারছেন না।
স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ভূঁমিকা ও অতীত অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। অনেকেই অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে যখন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তখন তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলনামূলকভাবে প্রশ্নের বাইরে ছিল। জনসাধারণের একটি অংশ মনে করেন, সে সময় তিনি ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সমঝোতামূলক অবস্থানে ছিলেন। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, কিছু বক্তব্যে তিনি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, যা সাধারণ ধর্মপ্রাণ ও সচেতন মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে।
এই সব কারণ মিলিয়ে কুমিল্লা-১১ আসনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার মনে করছেন, ত্যাগ, নির্ভরযোগ্যতা ও রাজনৈতিক অবস্থানের স্পষ্টতাই একজন সংসদ সদস্যের মূল যোগ্যতা। সে বিবেচনায় ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহেরের তুলনায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা তাদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত প্রার্থী।
সব মিলিয়ে বর্তমান জনমত ও মাঠপর্যায়ের আলোচনায় কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুল হুদার দিকেই জনগণের আস্থা ও সমর্থন বেশি প্রতিফলিত হচ্ছে, যা আসন্ন নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews