নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক প্রবাসীর জায়গা জোর পূর্বক দখল করে নেয়ার পরিকল্পনায়- মাষ্টার হাজী আবদুর রশিদকে একের পর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর করার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন নালঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অহেতুক প্রতিপক্ষের দেয়া বানোয়াট মামলায় আবদুর রশিদ ও তার পরিবার প্রতিনিয়ত ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালে শাহীন কাদিরের মা নুর বেগমকে মাষ্টার হাজী আবদুর রশিদ সাফ কবলা দলিল মূলে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসা নুর বেগম হঠাৎ জমির পরিমাপ করা ছাড়াই- মাষ্টার আবদুর রশিদের সম্পত্তির মধ্যে তার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবী করে হঠাৎ- আবদুর রশিদের সীমানা প্রাচীরের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। এসময় নুর বেগমের ছেলে মূহুরী শাহীন কাদির জামায়াত শিবিরের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে- নির্মানাধীন সীমানা প্রাচীর কাজে নিয়োজিত মিস্ত্রীদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর হুমকি ধমকি এবং ভয়ভীতি প্রর্দশন করে তাড়িয়ে দেয়। শান্তশিষ্ঠ মাষ্টার আবদুর রশিদ তাৎক্ষণাৎ ঝামেলা সৃষ্টি আশঙ্কায় মূহুরী শাহীন কাদিরের সাথে কোন কথা না বলে- এলাকার সামাজিক ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি অবিহিত করে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নালঘর মৌজার বিএস ৩৯২ খতিয়ানের সাবেক ৯১৬ দাগ বর্তমান বিএস ১৪০৩ নাম্বার দাগে ৮ শতক জায়গার মালিক মাষ্টার হাজী আবদুর রশিদ। তার এই সম্পত্তি বেদখল করার জন্য মূহুরী শাহীন কাদির দীর্ঘদিন থেকে ষড়যন্ত্র করে আসছে। শ্রীপুর ইউনিয়ন নালঘর মূহুরী বাড়ীর মরহুম আবদুল মান্নানের ছেলে শাহিন কাদির (৩৫) গ্রাম্য শালিশ এবং সামাজিক নিয়মের বাইরে গিয়ে, একই গ্রামের মরহুম আবদুল গণির ছেলে আবদুর রশিদের মালিকাধীন দখলীয় বসতবাড়ির জায়গা জোর পূর্বক দখল করার জন্য পায়তারা করে আসছে। প্রবাসী বাংলাদেশী মাষ্টার আবদুর রশিদ একাধিকার সার্ভেয়ার আমিন দ্বারা জায়গা পরিমাপ করে সীমানা নির্ণয় করার জন্য- গ্রামবাসীর নিকট অনুরোধ করার পরও পরধনলোভী মূহুরী শাহীন কাদির বিভিন্ন টালবাহানা করে, এলাকাবাসীর সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে তার মা নুর বেগমকে বাদী করিয়ে ৪ জনকে বিবাদী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। যাহার নং সিআর ৩৭২।
এদিকে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পাদক মাষ্টার হাজী আবদুর রশিদ মামলার তদন্তকারী অফিসারকে সমস্ত কাগজপত্র প্রমাণ স্বরূপ দাখিল করে এবং গ্রামের সমাজ পরিচালনাকারী কয়েকজন সচেনতন ব্যক্তিদের নিয়ে, শাহীন কাদিরের সমস্ত বেআইনি কর্মকান্ডের বিষয় অবিহিত করে। এখবর পেয়ে মুহুরী শাহীন কাদির ক্ষিপ্ত হয়ে নিরপরাধ মাষ্টার আবদুর রশিদকে হয়রানির উদ্দেশে গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে- শাহীন কাদির বাদী হয়ে ৩ জনের নামে কুমিল্লার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের সি আর পি সি আদালতে ১০৭ ধারা আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। যাহার নং পি আর ২৪৫।
জানা গেছে, মানবকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য… আন্তর্জাতিক হিউম্যান রাইট সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত, এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি জনাব এম.এ ফারুক হোসেনের হাত থেকে সম্মননা পুরস্কার প্রাপ্ত মাষ্টার হাজী আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন যাবৎ থেকে মানবাধিকার জোটের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
Leave a Reply