1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা চৌদ্দগ্রামে জবাই করে স্কুল ছাত্রকে হত্যাঃ মামলার পুনরায় তদন্তের দাবী নিহতের পরিবারের! একজন সফল সমাজ সেবক ও রাজনীতিবীদ চৌদ্দগ্রামের কাজী ফখরুল ইসলাম ফটিকছড়ির পাইন্দংয়ে অবৈধভাবে টিলা কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মানবাধিকার শান্তি পদক পেলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। চৌদ্দগ্রামে জামায়াত নেতার প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা জবর দখলের চেষ্টা! ফটিকছড়িতে চা বাগানের ম্যানেজারকে কুপিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা ছিনতাই, আটক ২ রাজনীতি মানুষের সার্বিক জীবন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন! মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করাই আমার লক্ষ্য

রাঙ্গাবালীতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল চরহালিম লঞ্চঘাটকে ঘিরে মাদকের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার,আ. রহিম গাজী, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরহালিম লঞ্চঘাট এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতাকে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা আকবর এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এছাহাক পরস্পরকে মাদক সেবন করাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অপর একটি ভিডিও ফুটেজে কথিত ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত স্বপন সিকদারকে গাঁজার কলকি তৈরি করে দিচ্ছেন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা কথিত ম্যানেজার আনিচ বয়াতি।
ভিডিওর অডিওতে স্বপন সিকদারকে বলতে শোনা যায়, “আনিচ, একটু পাতা দাও।” পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, “আনিচ, তোমার মামা তো ডেন্ডিও খায়।” ভিডিওতে ‘মামা’ সম্বোধন করা ব্যক্তি স্বপন সিকদার এবং ‘ভাগিনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় আনিচ বয়াতিকে।

ভিডিওতে আরও দাবি করা হয়, স্বপন সিকদার মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। কথোপকথনে তাকে বলতে শোনা যায়, বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং গত মৌসুমে অন্তত ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা আয় করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বপন সিকদার, আকবর, এছাহাক ও আনিচ বয়াতিসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে স্থানীয়রা এতদিন প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি বলে জানা যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, চরহালিম লঞ্চঘাটকে কেন্দ্র করে একটি মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার প্রভাবে স্থানীয় যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা গুঞ্জন থাকলেও সুস্পষ্ট প্রমাণের অভাবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি।

স্থানীয়দের মতে, স্বপন সিকদার বিভিন্ন সময় নিজের স্বার্থ রক্ষায় কখনও আওয়ামী লীগ, কখনও বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সচেতন মহলের অভিমত, মাদকের ভয়াল গ্রাসে দেশের তরুণ সমাজ বিপথে যাচ্ছে, যা সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি। শিক্ষিত–অশিক্ষিত, নিম্নবিত্ত থেকে ধনী পরিবারের সন্তান—সব শ্রেণির তরুণদের মধ্যেই মাদকাসক্তি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews