1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনীতি মানুষের সার্বিক জীবন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন! মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করাই আমার লক্ষ্য চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাস থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও ৬০ বোতল মদ উদ্ধার চৌদ্দগ্রামের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ অনুমোদনের জন্য ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামরুল হুদা ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালিকে দেশে ফেরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কামরুল হুদার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন মজিবুর রহমান চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ দুই কিশোরী ৬দিন পর কক্সবাজার থেকে উদ্ধার* বনফুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে আগুনে পুড়ে ৬০ থেকে৭০ লাখ টাকার ক্ষতি চৌদ্দগ্রামের নারীকে মারধরের পর হত্যার চেষ্টা: ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে!

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

মীর হোসেন মোল্লা: সরকারের দেওয়া কোটি কোটি টাকার ভর্তুকির সার চোরাই পথে পাচার হয়ে চলে যাচ্ছে মিয়ানমারে, আর তার বিনিময়ে দেশে ঢুকছে ভয়াল সব মাদক— বাংলার রূপে প্রকাশিত এমন সংবাদ কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই নির্দেশ করে না, বরং দেশের কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক চরম পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
খবর অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা, বাঁশখালী এবং কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের অন্তত ১৫টি উপকূলীয় ও স্থল রুট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বিপুল পরিমাণে ইউরিয়া ও ডিএপি সারে ভর্তুকি প্রদান করে। কিন্তু সেই সার যখন স্থানীয় ডিলার বা বাফার গুদাম থেকে ছলে-বলে-কৌশলে সংগ্রহ করে মায়ানমারে পাচার করা হয়, তখন দেশের সাধারণ জনগণের করের টাকার সরাসরি অপব্যবহার ঘটে। এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় হলো, এর বিনিময়ে দেশে আসছে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের মতো প্রাণঘাতী মাদক। যা আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অর্থাৎ, দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু চোরাকারবারি নিজের আখের গোছাতে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তাকেই হুমকিতে ফেলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ করে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি সীমান্ত এবং সাগরপথে অভিযান চালিয়ে একের পর এক সারের চালান জব্দ করছে এবং নৌযানের চালক বা শ্রমিকদের আটক করছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, স্থানীয় প্রভাবশালী এবং তথাকথিত সিন্ডিকেট বা ‘মূল নায়করা’ থেকে যাচ্ছে অধরা। উখিয়া-টেকনাফ ও চট্টগ্রামের চিহ্নিত সিন্ডিকেটগুলো যেভাবে প্রকাশ্যে এবং রোহিঙ্গা শ্রমিকদের ব্যবহার করে এই সাম্রাজ্য চালাচ্ছে, তা প্রশাসন ও নজরদারি ব্যবস্থার বড় ধরনের ঘাটতিকে স্পষ্ট করে। মূল হোতারা আইনের আওতায় না এলে কেবল বাহকদের গ্রেপ্তার করে এই আত্মঘাতী অপতৎপরতা থামানো সম্ভব নয়।
এই ভয়াবহ অপতৎপরতা বন্ধে কালবিলম্ব না করে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনকে সারের সরবরাহ শৃঙ্খলা এবং বাফার গুদাম থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত ট্র্যাকিং ব্যবস্থা শতভাগ স্বচ্ছ করতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সারের পরিবহন ও মজুদের ওপর বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো জরুরি। দ্বিতীয়ত, সমুদ্র ও সীমান্ত পথে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের টহল আরও জোরদার করতে হবে। সর্বোপরি, রাজনৈতিক পরিচয় বা স্থানীয় প্রভাব বিবেচনা না করে সার পাচার ও মাদক চালানের মূল মাস্টারমাইন্ডদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। লেখক;:মীর হোসেন মোল্লা/ সাংবাদিক।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews