1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবে কারাগারের কারাবন্দিরাও উদ্দীপ্ত-‘৯৫ বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৫ এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে প্রবাসী কমিউনিটি ও বিএনপি নেতা আব্দুল খালিক এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ বেনাপোলের সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক ফটিকছড়িতে টিলা কাটা ও মাটি অপসারণে জরিমানা ১ লাখ টাকা আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-৩, আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা আবেগে উচ্ছ্বাসে যাদের কাছে ঋনী-১, “বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট স্বীকৃতি অর্জন করলেন পাবনার কবি এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ” বেনাপোল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা পিন্টু ৪০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন

বিএনপিতে কোন বেয়াদবের জায়গা থাকবেনা” -হাসাদুল ইসলাম হীরা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৯ বার

এস এম এম আকাশঃ/ পাবনা জেলা প্রতিনিধি:
পাবনা-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হাসাদুল ইসলাম হীরা বলেছেন, বিএনপিতে একটাও কুলাঙ্গারের জায়গা থাকবে না। একটা বেয়াদবেরও জায়গা থাকবে না। মাস্তানী করবেন, ছেচরামী করবেন, চুরি করবেন, ডাকাতি করবেন সেইসব বেয়াদবদের জায়গা বিএনপিতে থাকবে না। এখনও সময় আছে ঘুরে দাঁড়ান। বিএনপি করতে হলে ভদ্র ভাবে বিএনপি করতে হবে।

সোমবার (১০ মার্চ২০২৫) উপজেলার হরিপুর খেলার মাঠে হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সম্মেলন, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসাদুল ইসলাম হীরা আরো বলেন, আমরা কোনো কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি করবো না। এদেশের মানুষ অন্ধ নয়, এদেশের মানুষ বোবা নয়। এদেশের মানুষ চোখেও দেখে, কানেও শোনে। কে কি করেছে এদেশের মানুষ তা জানে। সাংবাদিক ভাইদের সামনে সরাসরি বলে যাই, যদি আমি অন্যায় করি, আমার বিরুদ্ধে আপনারা কলম ধরেন। আর যদি অন্য কেউ অন্যায় করে, তার বিরুদ্ধেও কলম তুলে ধরুন! তা
সে যত বড়ই ক্ষমতাশালীই হোক না কেন। এটা তারেক রহমানের কথা।

তিনি আরো বলেন, কেউ দেখাতে পারবেন না, কেউ বিএনপি করলে তারা দলবাজী করছে, চাঁদা বাজী করছে। আমি সাংবাদিক ভাইদের বলবো শুধু ইউনিয়নে নয়, উপজেলা, পৌরসভা যেখানে যারা চাঁদাবাজী করবে বা করছে তাদের বাই নেমে নিউজ লেখা শুরু করে দেন। এর জন্য যদি কোনো সমস্যা হয়, আমি আপনাদের সাথে থাকবো। আমি চাই বিএনপির কেউ যেন কোন ভুল না করে। এখন যে ভুল করবে তার কোনো ক্ষমা নাই। মাশুল তাকেই দিতে হবে।

এ সময় অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজির সরকার, গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মওলা, ডিবিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজনু সরকার, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল, চাটমোহর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, চাটমোহর পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুতালিব, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর, হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলম, হরিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল শরিফ, সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম, ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন প্রমুখ।

শেষে দেশ ও জাতির জন্য দোওয়া করা হয়। দোওয়া পরিচালনা করেন হরিপুর বুড়িপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মো. জামিলুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

আবেগে উচ্ছাসে যাদের কাছে ঋনী-২, (এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ) আমি, আনিসুল ইসলাম ও ওযায়ের আনসারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আসর আদায় করি ও শুকরানা নামাজ আদায় করে সকলের সাথে মিলিত হই। এক ঝুড়ি লিচু এনেছিলেন দিনাজপুর থেকে নুরে জান্নাত ভাবী, রাজশাহী থেকে ঝুড়ি ভর্তি আম এনেছিলেন সাথী আপা, জেছমিন আক্তার (রাজশাহী),সাবিনা ইয়াছমিন(গাজীপুর),আমরা লিচু খেয়েছি, আম খেয়েছি প্রান খুলে। আমরা মহিউদ্দিন মহিন ভাই এর আমন্ত্রণে বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে হালিম খেয়েছি। মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে নড়াইলের ওয়াহিদ ভাই বাইকে করে আমাকে কাওরান বাজার পৌঁছে দেন।কৃতজ্ঞতা ওয়াহিদ ভাইকে। বাসে চড়ে মিরপুর কাজীপাড়া নেমে হেটে আবার শেওড়াপাড়ায় ফিরি। রুমে আমার জন্য অপেক্ষামান বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরত অগ্রজবর মোঃ রজব আলী (ঢাকা বার), নাটোর বারের বড় ভাই মোঃ মোখলেছুর রহমান মোখলেস, কুমিল্লার বন্ধু মোঃ বিল্লাল হোসেন। সকলেই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করে নিশ্চিত হই সকলেই পাশ করবো ইনশাআল্লাহ। রাতে খাবার খেয়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত(নড়াইলের) রাজীব দাদা, অনিক, মাসুদ, সহ কয়েকজন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে আমার জ্বর আসে প্রচন্ড। রাত রেজাল্ট প্রকাশ করে বার কাউন্সিল, আমি জানতে পারি শেষ রাতে। নামাজ আদায় করে নিশ্চিত হই আমরা এক রুমে অবস্থানকারী চার জনই পাশ করেছি। আমি “পরিবেশ-সম্প্রীতি ও মানবাধিকার” নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস বাংলা-র পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন। আমি ও বড় ভাই মোঃ রজব আলী ১৮ই জুন ২০২২ পুরান ঢাকায় সাক্ষাৎ করতে যাই গ্রিনপিস বাংলা-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ আবুল মোয়াজ্জম শামীম স্যারের সাথে। সেখানে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করে দুপরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে গুলিস্তান হয়ে শেওড়া পাড়া সিটি বাজারে ফিরে আসি। ১৯শে জুন ২০২২ নীলক্ষেত গিয়ে আইনের কিছু বই কিনে ফিরি আসি ফার্মগেট আরএইচ হোম-এ “আইন কানুন একাডেমি” তে। সাক্ষাৎ করি আইন অঙ্গনের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ থিওরি প্রেজেন্টার অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ স্যারের সাথে। স্যার মিষ্টি মুখ করিয়ে কুশালাদি জিজ্ঞেস করেন। বিভিন্ন ট্রপিকস এর উপর উপস্থিত আলোচনায় (আমার অপরাপর সহপাঠী, সনদ যোদ্ধা, সনদ প্রত্যাশী বন্ধুদেরকে নিয়ে) বসে পড়েন। তাৎক্ষণিক ভাবে অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের আইন পাঠ লিখিত গাইড কেনার পরামর্শ দেন এবং আমরা অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রয় করি। আলোচনা শেষ করে রজব আলী ভাই এর কাছে সিটি বাজারে ফিরে আসি। পরদিন যথারীতি পাবনায় চলনবিলের দক্ষিণ পাড়ে আমার বসত ঘর “মনোয়ারা হালিম কাব্যকুঞ্জ’-এ ফিরে আসি। কর্ম ব্যস্ততায় রাজনৈতিক ব্যস্থতায় জড়িয়ে পড়ি। ১৭সেপ্টেম্বর ২০২২ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ডেট ছিলো। ভিলেজ পলিটিক্সের আষ্টেপৃষ্টে এমন ভাবে আটকে যাই যে, আমি বেড় হতে চাইলেও এলাকার লোকেরা আমাকে বের হতে দেয়নি। আমার আব্বার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নের প্রতিফলনে গড়ে উঠা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মত পার্থক্য চরমে ওঠে, ঠিক এলাকার লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এমপি গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপে ফৈলজানা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার। এলাকার সৃজনশীল লোকজন আমাকে বলেন যে, তোমার আব্বা অথবা তুমি হবে নিরপেক্ষ প্রার্থী। এলাকার সকল লোকের চেয়ে এই মাদ্রাসায় তোমার আব্বার অবদান সবচেয়ে বেশি আছে ও কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার (আমার পিতা) বিনা বেতনে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। কোন মতেই দুই গ্রুপ একত্রে না বসায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যান এর গ্রুপে সমর্থন দেই, আমাকে সভাপতি করবে শর্তে। কিন্তু ভিলেজ পলিটিক্সের মার প্যাচে আমি বাদ পড়ে গেলে, কিছু লোকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তৃতীয় প্যানেলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাড় করাই।(শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট শিক্ষকেরা আমাকে দিবেন ওয়াদা করেছিলেন এ প্রেক্ষিতে)। আগষ্ট মাসটা আমাকে পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নির্বাচন করতে হয় শক্তিশালী দুই গ্রুপের বিপক্ষে। তিন জন অভিভাবক সদস্য ও একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের বিপরীতে দুই গ্রুপে (৪+৪)আট জন ও আমার একজন দিয়ে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী হয়। মহিলা প্রার্থী একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তখন তিনটি পদের বিপরীতে মোট ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। পেশী শক্তি ও কালো টাকার কাছে আমি ও আমার প্রার্থী (৭জনের মধ্যে ৬নং হয়ে) হেরে যাই। হাতে একটি ভোট দরকার ছিলো কিন্তু তা থেকে ব্যর্থ হয়েও শিক্ষক মন্ডলীদের তিন ভোট হাতে থাকে। দুই গ্রুপে ভোট জমা হয় চেয়ারম্যান এর হাতে ৩ টা ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর হাতে ২টা। তখনও আমার সভাপতি হওয়ার সুযোগ ছিলো যদি দুই ভোটের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাকে সমর্থন দেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি হলেন একজন নিরক্ষর ব্যক্তি। আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার জন্য পুরো দস্তুর নির্বাচন করতে উভয় পক্ষের পনেরো লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে বলে আমার দিকে আঙ্গুল তোলা হয় দুই গ্রপের দিক থেকেই। আমি ও আমার নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগীরা মিলে কৌশল অবলম্বন করে চেয়ারম্যান এর পক্ষে এক ভোট ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর পক্ষ দুই ভোট দিয়ে( ৪+৪) সমান সমান করে দিলাম। লটারী হলো চেয়ারম্যান জয়ী হয়ে হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমি ভিলেজ পলিটিক্সের গোড়া খুঁজতে গিয়ে আগষ্ট মাসটি হারিয়ে ফেললাম। আমি আইন কানুন একাডেমির অনলাইন ব্যাচে ক্লাস বন্ধু করে ২৬টি গ্রামে অভিভাবকদেরকে বুঝিয়েছি। কিন্তু কচকচা হাজার টাকার নোটের কাছে, নোটের ভাজে আমার আবেগ-অনুভূতি সচেনতা অসারতায় আটকে ছিলো। আমাকে প্রিয় মুরাদ মোর্শেদ স্যার বলতেন আগে অ্যাডভোকেট হোন, তারপর সকল কিছু আপনার কাছে ধরা দেবে। আমি স্যারকে উপেক্ষা করেছি। (১৬ মার্চ ২০২৬ইং) 🖋️এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ অ্যাডভোকেট- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পাবনা

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews