1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দুই শতাধিক অসহায় রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মাসুদ রানা সিরাজদিখানে জুয়ার আসরে অভিযান, ৮ জুয়ারী গ্রেফতার জনকণ্ঠ ভবনের সামনে বিক্ষোভ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য উদ্যোগ: পোগলা ইউনিয়নে যুবকদের মাঝে টি-শার্ট বিতরণ ‎ চৌদ্দগ্রামের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে খালি ঘর থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ধসে শিক্ষিকার মৃত্যু: এক মাস পর ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ​ চৌদ্দগ্রামে চরম ভোগান্তির নাম: চাঁপাচৌ-কালিয়াতল রাস্তা চালকবেশে ছিনতাই: কালীগঞ্জে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও আইফোন

অধরা পল্লবীর মাদক ব্যবসায়ীরা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৩৯ বার

আকতার হোসেন সাদ্দামঃ পল্লবীতে রয়েছে একাধিক বিহারি ক্যাম্প, বস্তি ও ডুইপের মতো ঘনবসতি। শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা এবং বেকারত্বের কারণে অনেকেই ঝুঁকছেন অবৈধ মাদকব্যবসায়। স্বল্প সময়ে প্রচুর অর্থসম্পদ উপার্জনের এই অবৈধ মাধ্যম আকর্ষণ করছে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও। এভাবেই পুরো পরিবার জড়িয়ে পড়ছে মাদক বিক্রির মতো ভয়াবহ অপরাধে।
এখানে মাসে অন্তত ১০ কোটি টাকার মাদকবাণিজ্য চলে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মহলের গুটিকয়েক সদস্যকে ম্যানেজ করেই এই ব্যবসা পরিচালিত হয়। গত ৫ আগস্টের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ার পর এই চক্র আরো সক্রিয় হয়ে ওঠে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হলেও তারা দ্রুত জামিনে এসে পুনরায় একই ব্যবসায় জড়ায়।
পরিবারের একজন জেলে থাকলে অন্য সদস্যরা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে। জানা যায়, খোদ পল্লবী থানার আশপাশে থাকা বস্তি ও ক্যাম্পগুলোকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে অন্তত দুই হালি মাদক স্পট। যার অধিকাংশ থানা ভবনের জানালা থেকেই দেখা যায়।
তার পাশেই বালুর মাঠ বস্তিতে চলছে শারমিনের হেরোইনের স্পট, একই বস্তিতে মাদকসম্রাজ্ঞী পৃথিবীর হেরোইন স্পট। পৃথিবীর বড় হেরোইন স্পট মিল্লাত ক্যাম্পে। এ ছাড়াও বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ইয়াবাসম্রাজ্ঞী ফতের (ফাতেমা) স্পট। কালসি ২২ তলা গার্মেন্টের আশপাশে বেশ কয়েকটি স্পটের মধ্যে রয়েছে শাহনাজের হিরোইন স্পট। সাংবাদিক প্লটের উল্টোপাশে কাল্লুর গাঁজার স্পট।
মূলত মিল্লাত ক্যাম্প, বাউনিয়াবাঁধ বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, বালুর মাঠ বস্তি ও বেগুনটিলা বস্তিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে মাদকে সাম্রাজ্য।
ডিএমপির মিডিয়া শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, পরিবাকেন্দ্রিক মাদকব্যবসা গড়ে ওঠাসহ তাদের ব্যবসার ধরন বিশ্লেষণ করেই পরিকল্পনার মাধ্যমে তা নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ বাস্তবায়ন করছি। তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসব। কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।
জানা গেছে, পল্লবীতে যত্রতত্র মাদক স্পট গড়ে উঠলেও এই ব্যবসার অন্তত ৮০ শতাংশই চার পরিবারের নিয়ন্ত্রণে। তাদের মধ্যে কেউ হেরোইন, কেউ ইয়াবা আবার কেউ গাঁজা ব্যবসার হোতা। পল্লবীতে নব্বইয়ের দশকে প্রথম হেরোইনের ব্যবসা শুরু করেন মোস্তাক। অপর তিন পরিবারের মধ্যে রয়েছে ‘ইয়াবাসম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা (ফতে), এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী ‘ল্যাংড়া’ রুবেল। তবে মোস্তাকের হয়ে মাদক ব্যবসার অন্যতম হোতায় পরিণত হন ‘হেরোইনসম্রাজ্ঞী’ পৃথিবী।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এই ব্যবসায় জড়িত অধিকাংশ সদস্যই নারী। পরিবারের একজন এই ব্যবসা শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে এতে জড়িয়ে পড়েন অন্য সদস্যরাও। এদের মধ্যে অনেকেই আলাদাভাবে গড়ে তোলেন মাদকসাম্রাজ্য।
হেরোইনসম্রাট মোস্তাকের সঙ্গে তার পরিবারের অন্তত দুই ডজন সদস্য মাদকব্যবসায় জড়িত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোস্তাকের বোন আনোয়ারী, শাকিলা এবং জামিলা। বর্তমানে মোস্তাকের ব্যবসার দেখভাল করে তার ছেলে সুমন ও সায়মন। অন্যদিকে জামিলার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে তার মেয়ে সায়েমা ও শাম্মি এবং আনোয়ারীর পাশাপাশি তার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করছে মেয়েজামাই কামরান। বাবা বাবুল হোসেনের হাত ধরেই মাদকব্যবসায় জড়ান ইয়াবাসম্রাজ্ঞী ফতে। এই ব্যবসায় জড়িত তার পরিবারের অন্তত ৩৬ সদস্য। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফতের ভাই মামুন, ভাই খোকন, দুই ভাবি মনি ও রাবেয়া, ভাগ্নে অনিক, মা হাসিনা বেগম এবং বোন পাপিয়া। এ ছাড়া হেরোইন ব্যবসায়ী পৃথিবীর ব্যবসার সঙ্গে তাদের পরিবারের অন্তত দেড় থেকে দুই ডজন সদস্য রয়েছে।
একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, শুধু পল্লবী থানার অধীনেই হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক স্পট। মাদক বিক্রির সঙ্গে যুক্ত হাজারেরও বেশি বিক্রেতা। জানা যায়, বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় মাদক সরবরাহ করে শাবু ও পাগলা মামুন। আর মাদকের পাইকারি ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো পাতা সোহেল, সোলেমান, রতন ও আল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews