মীর হোসেন মোল্লাঃ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির রাজনীতিতে কামরুল হুদা একটি প্রভাবশালী ও শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে এবং স্থানীয় তৃণমূলে তার শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থান রয়েছে বলে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে আসে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে তিনি দলের নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নির্বাচনী সভায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীর আস্থাভাজন এবং বিশ্বস্ত একজন অভিভাবক মোঃ কামরুল হুদা। প্রধানমন্ত্রীর আর্শীবাদধন্য সাবেক পৌরসভা বিএনপির একজন নেতা কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের হাল ধরার গুজব রটিয়ে নেতাকর্মীদর মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে দাঁপিয়ে বেড়ানো একজন জনপ্রিয় নেতা মোঃ কামরুল হুদা বিহীন চৌদ্দগ্রাম বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির প্রবীন রাজনীতিবীদরা। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা দলটির হাল ছেড়ে দেয়া মাত্রই দলটি সাংগঠনিকভাবে বিপদগ্রস্ত হবে এবং ভাঙ্গনের মধ্যদিয়ে গত ২০ বছর পূর্বে গ্রুপিং জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার অবস্থানে ফিরে যাবে। পাশাপাশি চৌদ্দগ্রাম বিএনপির কার্যক্রম তলিয়ে যাওয়া এবং দুর্যোগ নেমে আসার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে বলেও দলটির নেতাকর্মীরা মন্তব্য করেছেন।
সুত্র জানায়, গত সপ্তাহ থেকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা একজন সুবিধা লোক ধান্দা করার পরিকল্পনা নিয়ে, চৌদ্দগ্রাম বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেয়ার ইঙ্গিত করে ফেসবুকে অপপ্রচার শুরু করে। ফলে নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা প্রবাস জীবন কাটানো ওই ব্যক্তির নামের ফেসবুক আইডির পোস্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তোলে। চৌদ্দগ্রামের বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে কামরুল হুদার বিকল্প কেউ নেই বলে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা ষ্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মোঃ কামরুল হুদা গত ২০ বছর যাবৎ থেকে একটানা দলে হাল ধরে রেখেছেন। চৌদ্দগ্রাম বিএনপির সংগঠনকে তিনি শক্তিশালী সংগঠনে রূপান্তরিত করেছেন। শতকরা ৯৯ ভাগ দায়িত্বশীল নেতাকর্মীকে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন। চৌদ্দগ্রাম বিএনপির রাজনীতির এমন পরিস্থিতিতে উড়ে এসে জুড়ে বসার মত কারো ঠাই হবেনা বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছেন।
Leave a Reply