1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‎তারা ডিজিটাল কারচুপি করার চেষ্টা করছে -বিএনপি প্রার্থী কামরুল হুদা ধানের শীষ জয়লাভ করলে এদেশ তথা চৌদ্দগ্রামের ঋণগ্রস্ত সকল কৃষকদের ক্ষুদ্র ঋণ সুদ সহ মওকফ করে দেয়া হবে.. কামরুল হুদা চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে ভাংচুর, চরম নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার চৌদ্দগ্রামের বাতিসায় বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন চৌদ্দগ্রামের বাতিসায় বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন ঢাকা–১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনীয় জনসভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া ৩ আসনে আচরণবিধি লঙ্গঘনের অভিযোগে বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ বন্ধ করে দিলো প্রশাসন চৌদ্দগ্রামে ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে লক্ষাধিক জনতা সমাগমের প্রত্যাশা উপজেলা জামায়াতের ফটিকছড়িতে ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতির মামলায় জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে শওকত মুন্সি চৌদ্দগ্রামে করপাটি ও বৈলপুর মুক্তিযোদ্ধা বাজারে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে জামায়াতের গণসংযোগ

পাঙাশ মাছের উপকারিতা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১২২ বার

বাংলার রূপ ডেস্কঃ মাছ ছাড়া বাঙালির চলে না। দামের কারণে অনেকেরই ইলিশ–রুই-কাতলা খুব একটা পাতে তোলা হয়ে ওঠে না। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত অনেক পরিবারের ভরসা তাই পাঙাশ। কম দাম হওয়ার কারণে অনেকেই মনে করেন যে পাঙাশ মাছে তেমন কোনো পুষ্টি উপাদান নেই। তাই এই মাছ খেলে তেমন কোনো উপকারিতাও পাওয়া যাবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ১০০ গ্রাম কাঁটা ছাড়া পাঙাশ মাছে আছে ৬৭৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৫ গ্রাম আমিষ, ১১ গ্রাম ফ্যাট, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২৯ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম, ১৩০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১ দশমিক ৮৫ মিলিগ্রাম জিংকসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।

পাঙাশ মাছের উপকারিতাঃ

১. পাঙাশ মাছ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ভালো উৎস হওয়ার কারণে দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করে দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. পাঙাশ মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি আসিড ইপিএ ও ডিএইচএ পাওয়া যায়। এসব উপাদান স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে, স্মরণশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ঠিক রাখতেও এগুলো কার্যকর।

৩. মাছের ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়, যা অস্টিওপোরোসিস ও এথেরোস্ক্লেরোসিসের বিকাশকে প্রতিহত করে।

৪. খনিজ উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কার্যকলাপ স্বাভাবিক করে। স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৫. এ ছাড়া পাঙাশ মাছে থাকা জৈব অ্যাসিড দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করতে, নখের ভঙ্গুরতা দূর করতে এবং চুল পড়া রোধে সাহায্য করে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলকে প্রতিহত করে প্রাথমিক টিস্যু ও কোষের বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

৬. আমিষে ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, এর মধ্যে কিছু অত্যাবশ্যকীয়। খাবারে কোন অ্যামাইনো অ্যাসিড কতটুকু আছে, তার ওপর নির্ভর করে আমিষের গুণমান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাঙালিরা যেসব মাছ খেয়ে থাকে, তার মধ্যে পাঙাশ মাছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বেশি পাওয়া যায়। এরপর তেলাপিয়া ও রুই মাছ। এক গ্রাম আমিষে ২৭৭ মিলিগ্রাম অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকা উচিত। সেখানে পাঙাশে আছে ৪৩০ মিলিগ্রাম। তাই পাঙাশ মাছ গ্রহণ করার মাধ্যমে দেহে আমিষের চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews