1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুবিতে পর্দা উঠল আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা! কেশবপুরে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের সম্পদ বিক্রি, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ মোবাইল জুয়ায় আসক্তি ও এর করুণ পরিণতি চৌদ্দগ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন সংরক্ষিত আসনের এমপি হীরা এবং কামরুল হুদা! মাদক জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক নীরব ঘাতক! বাংলাদেশের ওপর অর্থনৈতিক পরিবেশগত এবং প্রশাসনিক চাপ চরম আকার ধারণ করছে! চৌদ্দগ্রামে চিকিৎসা নিতে আসা ২ রোগীর স্বর্ণ ছিনতাই! আবেদন করার পরও সংস্কার হয়নি চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডার একটি মাদ্রাসার সড়ক! মাদকাসক্তির কুফল ও ভয়াবহ পরিণতি সোনারগাঁয়ে ৩৩০ ফুট রাস্তা আরসিসি ঢালাই– এলাকাবাসীর সন্তোষ

কেশবপুরে টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের সম্পদ বিক্রি, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

নাজিম উদ্দীন, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাগরদাঁড়ি এম.এম. ইনস্টিটিউশনের মূল্যবান মালামাল উন্মুক্ত দরপত্র (টেন্ডার) ছাড়াই গোপনে বিক্রি এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ওপর বেআইনি শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও সরজমিনে তদন্তের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় অভিভাবক, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার সরকারি নীতিমালা না মেনে, উন্মুক্ত দরপত্র বা মূল্য নির্ধারণ কমিটির অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও লোহার পাইপসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার সম্পদ গোপনে বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার দত্ত এবং সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল এডহক কমিটির প্রভাব ব্যবহার করে এসব মালামাল বিক্রি করেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

​অভিযোগে আরও বলা হয়, এডহক কমিটির সভাপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর উক্ত মালামাল বিক্রির সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে খাতায় দেখানো হয়। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, সেই সভায় সভাপতি নিজে উপস্থিত ছিলেন না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এডহক কমিটি বা শিক্ষক প্রশাসনিক অনুমোদন ও উন্মুক্ত টেন্ডার ছাড়া বিদ্যালয়ের কোনো স্থায়ী সম্পদ বিক্রি করতে পারেন না।

​এছাড়া বিদ্যালয়ের আওতাধীন মার্কেটের প্রায় ৭৪টি বাণিজ্যিক দোকানের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো পূর্ব নোটিশ বা নিয়মতান্ত্রিক আলোচনা ছাড়াই মোটা অঙ্কের বর্ধিত জামানত আদায়ের চাপ দেওয়া হচ্ছে। দোকান সংস্কারের নামে বেআইনি শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা বর্তমান চুক্তিপত্রের পরিপন্থী এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের জীবিকায় চরম আঘাত হানছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

​এ বিষয়ে আইনগত পরিবেশ বজায় রাখা এবং বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ সুরক্ষায় সরজমিনে তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় প্রতিনিধি মো: আরিফ বিল্লাহ, মো: সহিদুল ইসলাম গাজী ও মো: আশরাফুল ইসলামসহ এলাকাবাসী


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews