প্রিয় মান্দাবাসী, আসসালামু আলাইকুম, আদাব। আপনারা নিশ্চয় পরীক্ষিত-সৎ- সাহসী-যোগ্য প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করতে চান ; আর এই প্রার্থীকে ভোট দেয়ার পূর্বে মার্কা নয়, দেখতে হবে উনি ইতিমধ্যে আপনাদের জন্য কী করেছেন।
২০০০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মান্দাবাসির পক্ষে ডাঃ এস এম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সিপিবি, মান্দা উপজেলা কমিটি মান্দাবাসির স্বার্থ বিরোধী কাজ যেমন:ফেরিঘাটের বেআইনি টোল;ভ্যান-ভটভটি- অটোরিকশায় লগের নামে চাঁদাবাজি;সতির হাট, দেলুয়াবাড়ি ও চৌবাড়িয়া সহ সকল হাটে- বাজারে অতিরিক্ত খাজনা আদায় ; কবুলপুর দীঘি, বিল আন্দুসুরিয়া, বিল হিলনার তিনটি পুকুর, ছোট মুল্লুকের সরকারি পুকুর ও বিল চককসবার অবৈধ দখল; পাটাকাটা স্লুইসগেট থেকে বারোমাসিয়া বিল পর্যন্ত খাল ও ফকিন্নি নদী পূনঃখননে দুর্নীতি; গ্রামীণ বরাদ্দে লুটপাট (গ্রামীণ রাস্তা,মসজিদ- মন্দির ইত্যাদি); ভূমি অফিস ও অন্যান্য অফিসের দুর্নীতি ; যত্রতত্র বালু উত্তোলনে নদীর পাড় ভাঙ্গন; আওয়ামী দুঃশাসন ও ৫ আগষ্ট পরবর্তী লুটপাট-সন্ত্রাস- চাঁদাবাজি ; অবৈধ দখলদারির অপচেষ্টা( যেমন ক্ষুদিয়াডাং খালপাড়ে একজন ভূমিহীনের বাসা);
মিথ্যা কেসে জেলবন্দীর জামিনে রাজনৈতিক বাধা(রাজনৈতিক বাধার কারণে ভারশোঁ গ্রামের সাধু, আশরাফ সহ আট জনের জামিন হচ্ছিল না); সারের অতিরিক্ত দাম (২০০৭-৮ সালে কমরেড সোবহানকে মিলিটারি ধরে নিয়ে আসে এবং পার্টির দাবি সঠিক ছিলো জন্য ছেড়ে দেয়), সার ডিলার্স সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আশাকরি সুবিবেচনায় ঠিক করবেন কে আপনাদের আসল নেতা, তাঁকেই ভোট দিবেন।
বিঃদ্রঃ
ডাঃ এস এম ফজলুর রহমান বিএসএমএমইউ(পিজি হাসপাতাল, ঢাকা)থেকে প্রায় ১৩ বছর চাকরী ছেড়ে দিয়ে একবারই নির্বাচন করেছেন ২০১৮ সালে,
যে নির্বাচনে অধিকাংশরাই ভোট দিতে পারেননি।
Leave a Reply