বাছেদ হোসাইনঃ- মানব কল্যানে এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদান রাখার জন্য- সোনারগাঁয়ের শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখযোগ্য পুরস্কারে ভূঁষিত হয়েছেন বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন। ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত মানবাধিকার জোটের উদ্যেগে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে এ সম্মাননা পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনের অডিটোরিয়ামের হল রুমে আয়োজিত, মানবাধিকার জোট এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের যৌথ উদ্যোগে, ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকেলে “৩ বারের সকল প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবন” শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুনীজন সম্মাননা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানবাধিকার জোটের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু (এমপি)। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ও আমন্ত্রিত মেহমানবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের একজন উদীয়মান সমাজসেবক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রতিটি পাড়া মহল্লায় অর্জন করেছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। স্থানীয়রা জানায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে পরোপকারী কাজে ব্যস্ত রেখে, সাধারণ মানুষের সেবায় নিরলস ভূঁমিকা পালন করে আসছেন। একজন সচেতন ব্যক্তি হিসেবে তিনি সাধ্য অনুযায়ী সাধারন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দুর্যোগে তিনি তাঁর সাধ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। তিনি নিজেকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে দিতে চান। ফলে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনকে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে সম্মাননা পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মানবাধিকার শান্তি পদক প্রাপ্ত সমাজ সেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে- এলাকার রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সমাজসেবক হিসেবে নিজ এলাকায় তিনি শক্ত অবস্থান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে এলাকার অসহায়- গরীবদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এলাকায় মাদক বিরোধী আন্দোলন এবং সভা সেমিনারের আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রেখেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন এলাকার সকল শ্রেনীপেশার মানুষের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং সবসময় বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নের জনগণ। সচেতন জনগন আরো জানায়, দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি- পেশার মানুষ তার আব্দুল্লাহ আল মামুনের আচার- ব্যবহারে মুগ্ধ। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিবেদিত প্রাণ। মানবাধিকার জোটের এক পর্যবেক্ষণে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের সকল কার্যক্রম খতিয়ে দেখার পর- সার্বিক দিক বিবেচনা করে, সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য– সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বৈদ্যের ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মানবাধিকার শান্তি পদক এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান অতিথির হাত থেকে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করেন। বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমাজ সেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই সম্মাননা আমার জন্য শুধু এটি পুরস্কার নয়, এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এই সম্মানে ভূষিত করেছেন। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে সমাজের জন্য কাজ করে যেতে। সমাজসেবা আমার কাছে কোনো পেশা নয়, এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমরা প্রত্যেকে যদি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি, একজন মানুষের ছোট একটি উদ্যোগও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
Leave a Reply