1. mdmirhossainmolla.bd@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@banglarrup.com : Banglar Rup : Banglar Rup
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক নীরব ঘাতক! বাংলাদেশের ওপর অর্থনৈতিক পরিবেশগত এবং প্রশাসনিক চাপ চরম আকার ধারণ করছে! চৌদ্দগ্রামে চিকিৎসা নিতে আসা ২ রোগীর স্বর্ণ ছিনতাই! আবেদন করার পরও সংস্কার হয়নি চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডার একটি মাদ্রাসার সড়ক! মাদকাসক্তির কুফল ও ভয়াবহ পরিণতি সোনারগাঁয়ে ৩৩০ ফুট রাস্তা আরসিসি ঢালাই– এলাকাবাসীর সন্তোষ আবাসনের নির্মাণাধীন ভবনগুলো এখন মাদক কেনাবেচার বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে! মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: শরীয়তপুরের দুই জমজ ভাইকে ল্যাপটপ উপহার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোলপাশা ইউনিয়নকে উন্নয়নের হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মাওলানা ফারুক নির্বাচনে অংশগ্রহনের মনোভাব প্রকাশ ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে’-প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক,

মাদক জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক নীরব ঘাতক!

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

মো: মীর হোসেন মোল্লা: মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে দেশের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা এবং মাদক কারবারিদের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে নজিরবিহীনভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। জানা যায়, দেশে বর্তমানে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত, যার একটি বড় অংশই অতি বিপজ্জনক সিনথেটিক ও সেমি-সিনথেটিক মাদকের মরণজালে বন্দি।এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেবল প্রথানুগত অভিযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আইনি কাঠামো, বিচার প্রক্রিয়া এবং মাঠপর্যায়ের অভিযানিক সক্ষমতায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এত দিন কোনো ধরনের আত্মরক্ষামূলক অস্ত্র না থাকায় সম্পূর্ণ নিরস্ত্র অবস্থায় জীবন বাজি রেখে এবং পুলিশের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে মাদকবিরোধী ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করতে হতো ডিএনসি সদস্যদের। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত মাদক কারবারিরা প্রায়ই ডিএনসি সদস্যদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালাত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে এই নিরস্ত্র কর্মকর্তাদের ওপর আকস্মিক গুলিবর্ষণে ও হামলায় অধিদপ্তরের অন্তত ১২৫ জন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং দুজন প্রাণ হারিয়েছেন। সম্প্রতি সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযানে গিয়ে মাদকচক্রের গুলিতে পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা এই চরম নিরাপত্তাহীনতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে অবশেষে ডিএনসি কর্মকর্তাদের জন্য ৯ এমএম আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের নিরাময় ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সমাজে ফিরিয়ে আনার মানবিক দিকটিতেও সরকার সমান্তরালভাবে জোর দিচ্ছে। দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে ১ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের মেগা প্রকল্প শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে দেশের ৭৩টি বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রকে সরকারি তহবিল থেকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশে মাদক সমস্যা এখন কেবলই একটি সাধারণ অপরাধ নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক নীরব ঘাতক। তাই ডিএনসিকে সশস্ত্র করা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং আইন সংশোধনের মতো সরকারের এই ত্রিমুখী কঠোর উদ্যোগের পাশাপাশি যদি সীমান্ত দিয়ে মাদকের অবৈধ প্রবেশ পথগুলো সম্পূর্ণ সিলগালা করা যায়, তবেই কেবল এই বিপুল আসক্ত জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করে একটি মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। লেখক: মীর হোসেন মোল্লা/সাংবাদিক.

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews